দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের গণগ্রেপ্তারে জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে বিপুলসংখ্যক মানুষকে আটক করার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। গতকাল শনিবার (১০ অক্টোবর) জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর (ওএইচসিএইচআর) আটক ব্যক্তিদের অবিলম্বে মুক্তি এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার নিশ্চিত করতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
১১ অক্টোবর হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে অংশ নিতে দিল্লির যন্তর মন্তরের দিকে যাওয়ার পথে চার হাজারের বেশি মানুষকে আটক করে পুলিশ। নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগ দাবি করছেন বিক্ষোভকারীরা।
আটকের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে, দিল্লিতে বড় আকারের বিক্ষোভের আগে ও চলাকালে বিক্ষোভকারী, আন্দোলনের নেতা, নাগরিক সমাজের সংগঠনের সদস্য, আইনজীবী ও সাংবাদিকদের ব্যাপকভাবে আটক করার খবর নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন।
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক মুখপাত্র থামিন আল-খিতান বিক্ষোভকারীদের মোকাবিলায় ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের উত্থাপিত ব্যাপক জন-উদ্বেগ নিরসনে অর্থবহ সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেন্টার ফর জাস্টিস অ্যান্ড পিস (সিজেপি) যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আয়োজনের পরিকল্পনা করেছিল। তবে দিল্লি পুলিশ ওই কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি। পরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা ও সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় অধিকাংশ বিক্ষোভকারী নির্ধারিত স্থানে পৌঁছাতে পারেননি।
ককরোচ জনতা পার্টি জানিয়েছে, তাদের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং আরও দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে মুম্বাই থেকে আসা তাঁদের উড়োজাহাজ দিল্লিতে অবতরণের পরপরই আটক করা হয়। পরে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।






