রাশিয়ার কিছু অংশ দখলে নেয়ার পর রাশিয়ার ভূখণ্ডে আরও গভীর আঘাত করতে যান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এই বিষয়ে পশ্চিমা দেশগুলর সহায়তা কামনা করছে জেলেনস্কি। নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় তিনি এই আহ্বান জানান।
রাশিয়ার হামলা চালিয়ে কিছু অংশ দখল করার পর রুশ সেনাকে কিছুটা চাপে রাখতে চেয়েছিল ইউক্রেন। তবে ইউক্রেনের এই আশায় পানি ফেলে ইউক্রেনের আরও অংশ দখলে অগ্রসর হয়ে গিয়েছে রাশিয়া।
সোমবার (৩ আগস্ট) জেলেনস্কি এক বিবৃতিতে বলেন, পশ্চিমা অস্ত্রশস্ত্র প্রয়োগের ক্ষেত্রে বাধানিষেধ রাশিয়ার পক্ষে কাজ করছে। তবে আমরা আশা করছি রাশিয়ার গভীরে আঘাত হানার বিষয়টি আরও শিথিল করা হবে।
জেলেনস্কি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি থেকে আরো দূরপাল্লার অস্ত্র পাওয়ার আশা প্রকাশ করেন।
নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী ডি স্কোফের সঙ্গে ইউক্রেনের দক্ষিণ পূর্বে জাপোরিজিয়া শহরে সাক্ষাতের পর জেলেনস্কি বলেন, আজকের দিনে শুধু এমন অনুমতিই যথেষ্ট নয়। সহযোগী দেশগুলিকে সেইসঙ্গে এমন দূরপাল্লার অস্ত্রও সরবরাহ করতে হবে। নিয়ন্ত্রণ রেখার এত কাছে কোনো পশ্চিমা সরকার প্রধানের সফর বিরল ঘটনা।
জেলেনস্কি বলেন, তিনি নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষার ক্ষমতা আরো বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেছেন। ন্যায্য শান্তি আনার লক্ষ্যে সেটা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন মঙ্গোলিয়া সফর করছেন৷ সে দেশের মধ্য দিয়ে রাশিয়া ও চীনের মধ্যে নতুন গ্যাস পাইপলাইন তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। শ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে ইউরোপে গ্যাস বিক্রি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর রাশিয়া নতুন বাজার খুঁজছে।
ইউক্রেন মঙ্গোলিয়ার উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতের শমন অনুযায়ী পুটিনকে গ্রেপ্তারের আহ্বান জানিয়েছে৷ তবে মঙ্গোলিয়ার সরকার এমন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। ফলে সে দেশের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে উঠছে।
সূত্র: ডয়েচে ভেলে (ডিডব্লিউ)।








