পর্যটন খাতের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয় ছাড়াও দেশের তরুণদের কর্মসংস্থান হতে পারে। পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে পর্যটন খাতের অবদান বাড়াতে সরকারি-বেসরকারি যৌথভাবে কাজ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ”পর্যটন খাতে নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা “ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় আলোচকদের বক্তব্যে এসব কথা উঠে এসেছে।
পর্যটন খাতের থিংক ট্যাংক হিসেবে সম্প্রতি আত্মপ্রকাশ করা উৎসব ‘‘ইউনাইটেড ট্যুরিজম স্টেকহোল্ডারস সোসাইটি অব বাংলাদেশ’’ গোলটেবিলটি আয়োজন করে।
সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরার আগে এই খাতের করণীয় বিষয়ে গবেষণার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন পর্যটন খাতের উদ্যোক্তা, বিশেষজ্ঞ, একাডেমিশিয়ান এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।
গোলটেবিলে বক্তারা বলেন, প্রয়োজনীয় গবেষণা না হওয়ায় এবং বিশ্বাসযোগ্য পরিসংখ্যান না থাকার কারণে বাংলাদেশের ট্যুরিজম আইকন বা ট্যুরিজম প্রডাক্ট তৈরি করা যায়নি। তবে এ খাতের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। আছে বিদেশি ট্যুরিস্টদের আকৃষ্ট করার মত নানান উপাদানও।
চল্লিখ লাখ মানুষ এখন প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে পর্যটন খাতে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করা হয় আলোচনায়।
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্যুরিজমের শিক্ষার্থীদের কাজে লাগানোর কথা উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বদিউজ্জামান ভূইয়া বলেন, পৃথিবীর ৫১টি দেশের অর্থনীতির প্রধান খাত পর্যটন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে নভোএয়ারের এমডি মফিজুল ইসলাম বলেন, পর্যটন খাতের সকল স্টেকহোল্ডারকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
টোয়াবের উপদেষ্টা সৈয়দ হাবিব আলি বলেন, সরকারপ্রধান যদি আগ্রহী না হন, পর্যটন খাতের উন্নতি হবে না।
ট্যুরিজম বোর্ডের সাবেক সিইও জাবেদ আহমেদ বলেন, ট্যুরিজম যে গ্রোথইঞ্জিন সেটা সরকারকে বোঝাতে পারলে নিশ্চয় সরকার এই খাতের বিকাশে আরও এগিয়ে আসবে।
মিডিয়া ব্যক্তিত্ব সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা বলেন, ট্যুরিজম বোর্ড এবং পর্যটন করপোরেশনকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে দেশের পর্যটনখাত বিকাশের জন্য।
এইচ এম হাকিম আলির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল আলোচনায় সূচনা বক্তব্য রাখেন উৎসবের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইকরাম। মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন উৎসবের সহ-সভাপতি তৌফিক রহমান।
আলোচনায় আরও অংশ নেন জামিউল আহমেদ জামিল, খবির উদ্দিন আহমেদ, মোহম্মদ হানিফ, তসলিম আমিন শোভন, মহিউদ্দিন হেলাল, আসলাম খান, সৈয়দ গোলাম কাদের, মেহেদি হাসান, তাজনিম আহমেদ, মাজহারুল হক মান্না প্রমুখ।








