বিশ্বজুড়ে জরুরি রসদ মজুতের তাগিদ

ছবি: সংগৃহীত
ইউরোপ-উত্তর আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে কয়েকটি দেশ তাদের নাগরিকদের ঘরে ৩ থেকে ১০ দিনের খাবার ও পানি মজুত রাখার পরামর্শ দিয়েছে। সরকারি এমন নির্দেশনায় বাজারে বেড়েছে টিনজাত খাবার, পানি, টর্চলাইট ও রেডিওর চাহিদা।
আকস্মিক দুর্যোগ কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে অন্তত কয়েক দিন যেন নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে পারেন নাগরিকরা, সে লক্ষ্যেই আগাম প্রস্তুতির আহ্বান জানাচ্ছে বিভিন্ন দেশের সরকার।
যুক্তরাজ্যে সরকারি পরামর্শের পর টিনজাত খাবারের বিক্রি বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। রেডিও বিক্রি বেড়েছে ১৬০ শতাংশ, আর টর্চলাইটের চাহিদা বেড়েছে প্রায় তিন গুণ। তবে বাজারে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। কানাডা, জাপান, মেক্সিকো ও নেদারল্যান্ডসে অন্তত তিন দিনের রসদ প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। সুইডেন ও নরওয়েতে এক সপ্তাহ এবং জার্মানিতে প্রায় ১০ দিনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী মজুতের পরামর্শ রয়েছে।
দেশভেদে ঝুঁকির ধরন ভিন্ন। জাপানে ভূমিকম্প ও সুনামি, অস্ট্রেলিয়া ও মেক্সিকোতে ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি গুরুত্ব পাচ্ছে। ইউরোপে প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি উদ্বেগ রয়েছে সাইবার হামলা ও সামরিক সংঘাত নিয়ে। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিগুলোকে বাইরের সরবরাহ ছাড়াই ৯০ দিন সচল রাখার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন ও সরকারি নির্দেশনা বিশ্লেষণে আসন্ন কোনো যুদ্ধের নিশ্চিত ইঙ্গিত নেই। বরং জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সাইবার হামলা এবং বিদ্যুৎ ও যোগাযোগব্যবস্থার বিপর্যয় মোকাবিলাই এসব প্রস্তুতির মূল লক্ষ্য।






