প্রাথমিকের সব বই ৫ নভেম্বরের মধ্যে পৌঁছানোর নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত
আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত সব পাঠ্যবই সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। একই সঙ্গে আগামী বছর থেকে পুরোনো মেশিনে পাঠ্যবই ছাপালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে আর মুদ্রণকাজ দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর মাতুয়াইলে বর্ণমালা প্রেস ও গ্লোবাল প্রিন্টিং ইকুইপমেন্ট পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে তিনি পাঠ্যবই মুদ্রণের প্রক্রিয়া, ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, কাগজের মান এবং ছাপার গুণগত মান সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় পাঠ্যবই মুদ্রণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মান ও স্পেসিফিকেশন যথাযথভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাঠ্যবই মুদ্রণের কাজ নেওয়ার অর্থ নির্ধারিত মান বজায় রেখে তা সম্পন্ন করা। কোনো ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকলে দরপত্রে অংশ নেওয়ার আগেই তা বিবেচনায় নিতে হবে। মুদ্রণযন্ত্রের সক্ষমতা বা কারিগরি সমস্যার অজুহাতে বইয়ের গুণগত মানের সঙ্গে কোনো আপস করা যাবে না। সরকার যে মানের বই সরবরাহের জন্য কাজ দিচ্ছে, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানের।
বইয়ের ছাপার মান যাচাই করতে গিয়ে তিনি কয়েকটি বইয়ে রঙের বিন্যাস ও অ্যালাইনমেন্টের অসংগতি দেখতে পান। এ ধরনের ত্রুটি যেন উৎপাদিত বইয়ের বড় অংশে ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেন তিনি। পাশাপাশি মুদ্রণকাজের মান নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাঠ্যবইয়ের মান নিশ্চিত করতে শুধু কাজ সম্পন্ন করলেই হবে না, প্রতিটি বই নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী মুদ্রিত হয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। তাই এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলা বা নিম্নমানের কাজ গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি সংশ্লিষ্ট মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সব বই সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আধুনিক ও উপযুক্ত সক্ষমতাসম্পন্ন মুদ্রণযন্ত্র ব্যবহারের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে এনসিটিবি ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা এবং সংশ্লিষ্ট মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।






