আগের তুলনায় অনেকটাই ভালো আছেন সাইফ আলী খান, জানিয়েছেন লীলাবতী হাসপাতালের পর্যবেক্ষণরত চিকিৎসকেরা।
পোশাকশিল্পী অভিষেক রায় বলেছেন, “দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন নবাব-পুত্র। এইভাবে চললে আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতে পারেন তিনি।”
এখনও ফোনে কথা বলার অনুমতি পাননি সাইফ। তাই তার শারীরিক ভালমন্দের খবর অভিষেক অভিনেতার সহায়কের থেকে দু’বেলা নিচ্ছেন।
সাইফের অবস্থা স্থিতিশীল, এই খবর জানিয়ে শুক্রবারেই তাকে স্থানান্তরিত করা হয় আইসিইউ থেকে। অভিষেক জানিয়েছেন, আলাদা কেবিনে বিশেষ বন্দোবস্ত করা হয়েছে তার জন্য। সেখানেই ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি।
শুক্রবার তিনি নিজেই খেয়েছেন। এছাড়া চিকিৎসকেরা তাকে ধরে ধরে অল্প হাঁটিয়েছেন। যদিও পরে তারা জানান, বাড়িতে গিয়ে টানা বিশ্রামে থাকতে হবে অভিনেতাকে। কোন রকম নড়াচড়া চলবে না। তার শরীরে একাধিক আঘাত এবং সেগুলি গুরুতর। যার মধ্যে একটি মেরুদণ্ডের খুব কাছে। বেশি নড়াচড়া মানেই সেখান থেকে রক্তপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। একই ভাবে সংক্রমণের সম্ভাবনাও থাকবে।
শনিবার (১৮ জানুয়ারি) লীলাবতী হাসপাতালের নিউরোসার্জন চিকিৎসক নিতিন ডাঙ্গে আরও জানান, খুব ঘনিষ্ঠজন এবং পরিবারের সদস্য ছাড়া আর কেউ নবাব-পুত্রের কাছে পৌঁছতে পারছেন না। পাশাপাশি তিনিও সাইফের সাহসিকতার তারিফ করেন।
এদিকে বেশ কিছু সূত্রের বরাতে ভারতীয় গণমাধ্যম সাইফের চিকিৎসা খরচের তথ্য সামনে এনেছে। তাতে জানানো হয়েছে, সাইফের এই হামলার পেছনে চিকিৎসা খরচ হয়েছে ৩,৫৯৮,৭০০ রুপি। তবে বীমা কোম্পানি এতে দিচ্ছে ২৫ লক্ষ রুপি। এর ফলে শুধু সাইফকে চিকিৎসার জন্য গুনতে হবে ১৫ লক্ষ ৯৮ হাজার রুপি।
এদিকে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় মুম্বাই পুলিশ সাইফের স্ত্রী তথা কারিনা কাপুর খানের বক্তব্য রেকর্ড করে পুলিশ। কারণ, সাইফকে হামলার দিন কারিনা ওই ফ্ল্যাটেই ছিলেন। কারিনা জানিয়েছেন, হামলাকারীকে তিনি সাইফের ওপর উপর্যুপরি ছুরি চালাতে দেখেন। সে সময় অত্যন্ত ক্ষিপ্ত ছিল সেই হামলাকারী।








