ক্রিকেট

সেই মৃত্যু মিছিলের আড়াই মাস পর নীরবতা ভাঙল বেঙ্গালুরু

Bengaluru airport crowd protests against death tolls, police try to control the situation. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

বেঙ্গালুরু ট্র্যাজেডি

অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন

১৭ বছর পর আইপিএল শিরোপার অপেক্ষা ঘুচিয়ে উদযাপনের সময় বিতর্কে পড়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরদিন ঘরের মাঠ এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে উদযাপনে পদদলিত হয়ে প্রাণ হারান ১১ জন। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুঃখ প্রকাশ করে এবং নীরবতার সিদ্ধান্ত নেয় আরসিবি কর্তৃপক্ষ। ঘটনার আড়াই মাস পর নীরবতা ভেঙেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নীরবতা ভাঙার পাশাপাশি বেঙ্গালুরু ফ্র্যাঞ্চাইজি কেয়ার্স নামে নতুন একটি উদ্যোগ চালুর ঘোষণা দিয়েছে। যার মাধ্যমে ভক্তদের সমস্যা ও অভিযোগ নিয়ে কাজ করবে আরসিবি।

সেদিন ১১ মৃত্যুর সাথে ৫০ জনের বেশি আহত হন। ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে আরসিবি। দুর্বল ব্যবস্থাপনার অভিযোগে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এরপর দীর্ঘসময় নীরব থাকে তারা। বৃহস্পতিবার সেই নীরবতা ভেঙে বার্তা দিয়েছে।

‘প্রিয় ১২তম সেনা, এটি আমাদের অন্তরের গভীর থেকে লেখা একটি চিঠি! প্রায় তিনমাস হয়ে গেল আমরা কোন পোস্ট করিনি। আমরা নীরবতা মেনেছিলাম, আমরা অনুপস্থিত ছিলাম না, আমরা শোক পালন করেছি। এই জায়গা একসময় ছিল শক্তি, স্মৃতি, আর সেরা মুহূর্ত, যা আপনারা সবচেয়ে উপভোগ করেছেন। কিন্তু ৪ জুন সবকিছু পাল্টে দেয়। সেদিন আমাদের মন ভেঙে দেয়। সেই থেকে নীরবতা ছিল আমাদের শোক পালনের উপায়। সেই নীরবতায় আমরা কেঁদেছি, শুনেছি, শিখেছি। ধীরে ধীরে আমরা শুধু প্রতিক্রিয়া নয়, এর চেয়ে বড়কিছু গড়ে তুলতে শুরু করেছি।’

‘এর মধ্যে দিয়ে আরসিবি কেয়ার্স এর জন্ম। এটি এসেছে সম্মান জানানোর প্রয়োজন থেকে এবং আমাদের ভক্তদের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার থেকে। এটি হবে অর্থবহ পদক্ষেপের একটি প্ল্যাটফর্ম, যা আমাদের কমিউনিটি ও ভক্তরা গড়ে তুলবে। আজ আমরা এই জায়গায় ফিরছি উদযাপন নয়, বরং যত্ন নিয়ে। ভাগ করে নিতে। আপনাদের সঙ্গে দাঁড়াতে। একসাথে এগিয়ে চলতে। কর্ণাটকের গর্ব হতে। আরসিবি কেয়ার্স। আমরা সবসময় থাকব। শিগগিরই আরও বিস্তারিত জানানো হবে।’

৫ জুন আরসিবি ঘোষণা দিয়েছিল নিহত ১১ জনের পরিবারকে ১০ লাখ করে ক্ষতিপূরণ দেবে।

সেই ট্র্যাজেডি শুধু অনেক প্রাণ কেড়ে নেয়নি, বরং ধ্বংস করেছে এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের সুনামও। আইসিসি ঘোষণা করে, অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির কারণে আগামী মাসের নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে বেঙ্গালুরুর বদলে মুম্বাইকে ভেন্যু হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। মেয়েদের বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজনে পুলিশের ছাড়পত্র পায়নি কর্ণাটক স্টেট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। যেখানে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের মেয়েদের। ভারতের বোর্ড পদদলন সংক্রান্ত তদন্তে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামকে বড় ইভেন্ট আয়োজনে অযোগ্য ঘোষণা করেছে।

বিষয়:আইপিল আরসিবি এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…