শুক্রবার (৩ মে) প্রকাশি হয়েছে কোক স্টুডিও বাংলার তৃতীয় সিজনের দ্বিতীয় গান ‘মা লো মা’। গানটিতে অংশ নিয়েছেন প্রীতম হাসান, সাগর দেওয়ান, আরিফ দেওয়ান এবং ‘ব্যবসার পরিস্থিতি’ খ্যাত র্যাপার আলী হাসান।
কোক স্টুডিও বাংলার তৃতীয় সিজনের প্রথম গানটি নিয়ে সমালোচনা ছিলো বেশী। নেটিজেনরা তেমন পছন্দ করেননি গানটি। তবে একই শ্রোতাদের সুর পাল্টালো সিজনের দ্বিতীয় গানে।
নতুন এই গানটির সংগীত প্রযোজক প্রীতম। তার সঙ্গে আছেন দেওয়ান পরিবারের দুই সদস্য সাগর দেওয়ান ও আরিফ দেওয়ান। তাদের পূর্বপুরুষই ‘মা লো মা ঝি লো ঝি’ নামের গানটির মূল রচয়িতা। এই গানটি প্রকাশের পর প্রশংসায় ভাসিয়ে দিচ্ছেন শ্রোতারা। নেটিজেনদের কেউ কেউ সমালোচনা করলেও শত গুণ বেশী শ্রোতাদর্শকরা জানাচ্ছেন ইতিবাচক মন্তব্য।
‘মা লো মা’ গানের একটি শহুরে সংস্করণ দেখতে পাওয়া যায় আশি ও নব্বই দশকের রাজমিস্ত্রিদের মধ্যে। জীবিকার জন্য শহরে পাড়ি দেওয়া এ শ্রমিকরা কংক্রিটের ছাদ তৈরির সময় এ ধরনের গান গাইতেন। গানের ভিডিওতে সেই গল্পই তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
গানটি নিয়ে বহু শ্রোতাদর্শক ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। এরমধ্যে তামান্ন নামের একজন লিখেছেন, “মা লো মা এই গানটা আমার আব্বু প্রায়ই গাইতো। আমরা আব্বুর মুখে শুনে শুনে বড় হইসি। তারপর অরিজিনালটা ও শুনাইছিলো। আব্বু এখন দুনিয়াতে নাই। কোক স্টুডিও বাংলাকে ধন্যবাদ স্মৃতি মনে করায় দেয়ার জন্য।” অন্য আরেকজন লিখেছেন, “কী অসাধারণভাবে রিপ্রেজেন্ট করেছে জারি সারি, আর লোক সংগীত। যতবারই শুনি ততবারই প্রেমে পরি কোক স্টুডিও বাংলার।”
ভারত থেকে একজন গানটি দেখে মন্তব্য করেছেন,“আমি ইন্ডিয়া থেকে বলছি, আপনাদের কোক স্টুডিও এর গানগুলো আমাদের সিনেমার গানগুলার তুলনায় অনেক ভালো হয়। আর আমারও শুনতে অনেক ভালো লাগে।” নূপুর নামে একজন লিখেছেন,“বাংলার লোকগীতিগুলো সংস্কৃতি থেকে হারিয়ে না যাক। এভাবেই ছড়িয়ে যাক পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। পরিচিতি পাক বাংলাদেশ একটি সুন্দর দেশ।”
এনামুল হাসান নামের এক শ্রোতাদর্শক লিখেছেন,“সাগর দেওয়ানের গান এই প্রথম শুনলাম। এমন অচেনা অজানা শিল্পীদের সুযোগ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।” প্রীতমের প্রশংষা করে অন্য একজন লিখেছেন,“কী ছিল এটা! হোয়াট আ ব্লেন্ডার অব মিউজিক। প্রীতমের সংগীত জ্ঞান সত্যিই অসাধারণ। এভাবে না উপস্থাপন করলে বাংলা শেকড়ের এই ব্যাপার গুলো আমাদের জানা হত না।”








