একমাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ফুটবল বিশ্বকাপ মহারণ শেষধাপে। চোখ ধাঁধানো গোল, রুদ্ধশ্বাস লড়াই আর আবেগের পর এবার নির্ধারণ হবে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। ট্রফি জয়ের লড়াই, পাশাপাশি বাড়তি আগ্রহ এখন ব্যক্তিগত পুরস্কারগুলো নিয়েও। গোল্ডেন বল ও গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন লিওনেল মেসি, সুযোগ আছে কাইলিয়ান এমবাপেরও।
আর মাত্র দুটি ম্যাচ। একদিকে শিরোপা জয়ের লড়াই, অন্যদিকে ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের দৌড়। গোল্ডেন বল, বুট আর গোল্ডেন গ্লাভস বিশ্বকাপের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ তিন ব্যক্তিগত পুরস্কার কার হাতে উঠবে, সেই হিসাব-নিকাশও এখন জমে উঠেছে।
গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে সবচেয়ে এগিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। সেমিফাইনাল শেষে তার গোল সংখ্যা ৮। সমান ৮ গোল নিয়ে লড়াইয়ে আছেন ফ্রান্সের কাইলিয়ান এমবাপেও। তবে চারটি অ্যাসিস্ট থাকায় এগিয়ে মেসিই। ৭ গোল নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন নরওয়ের আর্লিং হালান্ড। ৬ গোল আর ১ অ্যাসিস্ট নিয়ে ইংল্যান্ডের বেলিংহ্যাম আছেন চারে।
শুধু গোল নয়, পুরো টুর্নামেন্টে আক্রমণে সবচেয়ে বেশি অবদানও মেসির। আট গোলের সঙ্গে চার অ্যাসিস্ট মিলিয়ে সরাসরি ১২ গোলে অবদান রেখেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এমবাপের অবদান ১১ গোল। আর সাতটি করে গোলে অবদান আছে হালান্ড, হ্যারি কেন, জুড বেলিংহ্যাম ও উসমানে ডেম্বেলের। আর্জেন্টিনা যদি শিরোপা জেতে, গোল্ডেন বলও যে মেসির হাতেই উঠবে এটা প্রায় নিশ্চিত।
গোলকিপারদের লড়াইটাও উত্তেজনাপূর্ণ। স্পেনকে ফাইনালে তুলতে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন উনাই সিমন। এপর্যন্ত ৭ ম্যাচে মাত্র একটি গোল হজম করেছেন এ গোলকিপার। সবচেয়ে বেশি ৬টি ক্লিনশিট তার। পিছিয়ে নেই আর্জেন্টিনার এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একের পর এক সেভ করে দলকে তুলেছেন ফাইনালে। আলোচনায় আছেন ফ্রান্সের মাইক ম্যাগনান। পারফরম্যান্স ও ক্লিনশিটের বিচারে উনাই সিমনই সবচেয়ে এগিয়ে।
বিশ্বকাপের বেস্ট ইয়াং প্লেয়ারের লড়াইটাও বেশ জমে উঠেছে। স্পেনের পাউ কুবার্সি ও লামিন ইয়ামাল, ফ্রান্সের ডিজায়ার দুয়ে এবং ইংল্যান্ডের নিকো ও’রেইলি চারজনই আছেন আলোচনায়। তবে রক্ষণে কুবার্সির ধারাবাহিকতা আর আক্রমণে ইয়ামালের ঝলক তাদের কিছুটা এগিয়ে রেখেছে বেস্ট ইয়াং প্লেয়ারের দৌড়ে।









