২০২৬ বিশ্বকাপে স্পটলাইট নিজের কাছে কেড়ে রেখেছেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি। তবে পারফরম্যান্স দিয়ে নজর কেড়েছেন লামিন ইয়ামাল, জুড বেলিংহ্যাম, মাইকেল ওলিসে, ব্রাহিম দিয়াজের মতো তরুণ ও উদীয়মানরা। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে এসে ভোজিনহা এবং কুরাসাওয়ের এলয় রুমের মতো গোলকিপারদেরও মনে ধরেছে ফুটবলপ্রেমীদের।
বিশ্বকাপ শুধু গোল-উত্তেজনার ম্যাচই নয়, ফুটবলার ও তারকা তৈরির সবচেয়ে বড় মঞ্চ। বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে আসার আগেই মেসি-এমবাপে-নেইমার-ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোরা পেয়েছেন তারকা খ্যাতি। তবে বিশ্বকাপে এসে নিজের জাত চিনিয়েছেন এমন ফুটবলারের সংখ্যাও কম নয়।
দর্শক বিবেচনায় ২০২৬ বিশ্বকাপে তরুণ উদীয়মানদের মধ্যে সবার উপরে বার্সেলোনার বিস্ময় বালকখ্যাতি পাওয়া লামিন ইয়ামাল। গ্রুপপর্বে সৌদির বিপক্ষে একমাত্র গোলটি করার পাশাপাশি আক্রমণে অসাধারণ দক্ষতা দেখিয়ে দলকে ফাইনালে তুলেছেন ১৯ বছর বয়সী তরুণ।
ফাইনালে খেলতে না পারলেও মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব বিস্তারে জুড়ি নেই ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যামের। বিশ্বকাপে এক আসরে ছয় গোল করা প্রথম মিডফিল্ডার এ রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলে নিজের অবস্থান তৈরি করলেও চলতি বিশ্বকাপ নতুন করে দেখেছে ফ্রান্সের মাইকেল ওলিসেকেও। ১৯৯৪ সালের পর এক আসরে টানা ৫ অ্যাসিস্ট করে রেকর্ড বুকে নাম লিখিয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখ স্টার মাইকেল ওলিসে।
রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাহিম দিয়াজ মরোক্কার হয়ে বিশ্বকাপে ৫ ম্যাচে করেছেন চার অ্যাসিস্ট, আফ্রিকান দেশের হয়ে এক আসরে সর্বোচ্চ অ্যাস্টিস্টের রেকর্ড এ ফরোয়ার্ডের। আইভোরি কোস্টের ইয়ানডি ও মান্ডের মতো গতি ও ক্ষিপ্রতার প্রতিভা বিশ্ববাসীকে দেখিয়েছেন সুইজারল্যান্ডের জেয়ান মানজাম্বি। মিডফিল্ডে ২১ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন নিকোলাস পাজ এবং সেমিফাইনালে জুলিয়ানো সিমিওনের ক্ষিপ্রতা ও হাই-প্রেসিংয়ের দক্ষতা নতুন করে দেখেছে বিশ্ব। তরুণদের মধ্যে সেনেগালের ইব্রাহিম এমবায়ে আলো ছড়িয়েছেন অ্যাটাকিংয়ে।
প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে ভেলকি দেখিয়েছেন কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী গোলকিপার ভোজিনহা। বিশ্বকাপের দুই ফাইনালিস্ট স্পেন ও আর্জেন্টিনার বিপক্ষে চীনের প্রাচীর হওয়া ভোজিনহার বিপক্ষে কেউই নির্ধারিত ৯০ মিনিটে জিততে পারেনি। তেমনি কুরাসাওয়ের এলয় রুম ইকুয়েডরের বিপক্ষে ১৫টি অসাধারণ সেভ করে রেকর্ড গড়েছেন।







