বাংলাদেশ

যেকোন মূল্যে মূল্যস্ফীতির পাগলা ঘোড়া থামাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক, প্রধানমন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের উপস্থিতি. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রধানমন্ত্রীসহ উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশগ্রহণ করছেন, আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

যেকোন মূল্যে মানুষকে স্বস্তি দিতে হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, বাজারে একেকবার একক পণ্যের দাম বাড়ছে কেন, থামাতে হবে মূল্যস্ফীতির এই পাগলা ঘোড়া।

মঙ্গলবার ২০ জুন রাজধানীর শেরেবাংলানগর এনইসি সভাকক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী সভায় সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, সাধারণ মানুষকে মূল্যস্ফীতির ভোগান্তি থেকে রেহায় দিতে প্রধানমন্ত্রী মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদের আরও বেশি মনোযোগি হওয়ার কথা বলেছেন। মূল্যস্ফীতির বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বাজারে একটি সমন্বিত প্রচেষ্টা থাকা উচিত। সরকার সবর্তোভাবে সে বিষয়ে সচেতন।’

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), এনবিআর এবং অর্থ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়নের ক্ষেত্রে আরও বেশি বৈদেশিক তহবিল এবং বৈদেশিক ঋণ ব্যবহৃত হয়, তা নিশ্চিত করতে বলেছেন। উন্নয়ন সহযোগি যেমন বিশ্বব্যাংক, এডিবি এবং জাইকা বাংলাদেশকে বাজেট সহায়তাসহ অন্যান্য সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। কিন্তু সরকার কেবলমাত্র তার প্রয়োজন মোতাবেক ও সামর্থ্য অনুযায়ী সহায়তা নেবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, আজ একনেক সভায় মোট ১৬টি প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়, যার বাস্তবায়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪ হাজার ৩৬২ কোটি ১৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১২ হাজার ৮৭৩ কোটি ১১ লাখ টাকা, বৈদেশিক অর্থায়ন ১১ হাজার ৪৭২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ও সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা। অনুমোদন পাওয়া ১৬ প্রকল্পের মধ্যে ৮টি নতুন এবং ৮টি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম জানান, ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও অধিক বৈদেশিক সহায়তা বর্তমানে পাইপলাইনে রয়েছে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশীয় উৎসের তুলনায় বিদেশী ঋণের সুদহার কম হওয়ায় বিদেশী অর্থায়ন ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সরকার তার সক্ষমতার সর্বোচ্চটুকু করতে পারে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিদেশী ঋণ ও জিডিপি অনুপাত এখনও বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় কম, যেকারণে আমরা আরও বেশি বিদেশী ঋণ নিতে পারি।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনা সচিব সত্যজিৎ কর্মকার বলেন, বিদেশি ঋণের মূল অর্থ ও সুদ পরিশোধে বাংলাদেশ কখনোই খেলাপি হয়নি।

বিষয়:একনেক একনেক বৈঠক প্রধানমন্ত্রী

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…