রাজনীতি

পুলিশি বাধায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে শেষ ‘মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন’ কর্মসূচি

বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

পুলিশি বাধায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে শেষ ‘মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন’ কর্মসূচি, বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে প্রতিবাদ করছেন।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন

‘জুলাই ঐক্য’ নামে একটি প্ল্যাটফর্মের ডাকা ‘মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন’ কর্মসূচি পুলিশি বাধার মুখে পড়ে মধ্যবাড্ডার সড়কে সংক্ষিপ্ত অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভকারীরা সড়ক ছেড়েছে। এখন ওই এলাকায় দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। 

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ‘জুলাই ঐক্য’ নামে একটি প্ল্যাটফর্মের ডাকা ‘মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন’ কর্মসূচি পুলিশের বাধার মুখে পড়েছে। বিক্ষোভকারীরা ভারতীয় হাইকমিশনের দিকে যাত্রা শুরু করলে পুলিশ উত্তর বাড্ডা এলাকায় ব্যারিকেড দিয়ে তাদের আটকে দেয়।

পুলিশের বাধার পর বিক্ষোভকারীরা সেখানেই অবস্থান নেন এবং সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে বক্তব্য দেন। এর আগে কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দুপুর থেকেই ঢাকার রামপুরা ব্রিজ এলাকায় জড়ো হতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে তারা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

ছবি: সংগৃহীত

বিক্ষোভকারীরা সড়কে অবস্থান নেওয়ায় ওই এলাকায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। এ সময় তারা ‘দিল্লি না ঢাকা’, ‘ভারতের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘আমার ভাই হাসপাতালে, খুনি কেন বাইরে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দণ্ডিতদের দেশে ফিরিয়ে দেওয়া এবং ‘ভারতীয় প্রক্সি রাজনৈতিক দল’, ‘মিডিয়া লীগ’ ও সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। গত মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।

জুলাই ঐক্যের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কর্মসূচিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা, ডাকসু ও জাকসুর কয়েকজন নেতা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসা ও স্কুলের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

সংগঠনটির দাবি, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে ভারতের ‘প্রক্সি শক্তিগুলো’ বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা জোরদার করেছে। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ভারত আশ্রয় দিয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

এ ছাড়া জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় ভারতের একাংশের প্রতিক্রিয়াকে নিন্দা জানিয়ে আয়োজকেরা এসব ঘটনাকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি বলে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, ‘বাংলাদেশ ২.০-তে কোনো আধিপত্যবাদ মেনে নেওয়া হবে না।’

বিষয়:আন্দোলন উত্তর বাড্ডা জুলাই ঐক্য ঢাকা পুলিশি বাধা বিক্ষোভ

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…