রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর দুই শতাধিক রানের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নেমে শেষ অবধি লড়াই করেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। ম্যাচের রোমাঞ্চ গড়ায় শেষ ওভার অবধি। তবে হেসেছেন বিরাট কোহলিরাই। বেঙ্গালুরুর কাছে ২ রানে হেরে গেছে চেন্নাই।
জয়ের জন্য শেষ ওভারে চেন্নাইয়ের দরকার ছিল ১৫ রান। যশ দয়ালের প্রথম বলে সিঙ্গেল নিয়ে রবীন্দ্র জাদেজাকে স্ট্রাইকে পাঠান মাহেন্দ সিং ধোনি। দ্বিতীয় বলে জাদেজাও সিঙ্গেল নেন। তৃতীয় বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে আউট হন ধোনি। ব্যাটে নামেন ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে শিভম দুবে। পরের ডেলিভারিতে নো বল করে বসেন দয়াল, ছক্কায় হাঁকান দুবে। শেষ তিন বলে চেন্নাইর দরকার ছিল ৬ রান। সেখানে ব্যর্থ হন দুই ব্যাটার জাদেজা ও দুবে। তিন বলে কেবল তিনটি সিঙ্গেলই নিতে পারেন দুজনে। ফলাফল ২ রান হার।
বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে স্বাগতিক দল। নির্ধারিত ওভার শেষে ৫ উইকেটে ২১৩ রান তোলে তারা। জবাবে নেমে ৫ উইকেটে ২১১ রানে থামে চেন্নাই। আসরে ১১ ম্যাচে ৮ জয়ে টেবিলের শীর্ষে বেঙ্গালুরু। অন্যদিকে ১১ ম্যাচে নবম হারে টেবিলের তলানিতে চেন্নাই।
আগে ব্যাটে নামা বেঙ্গালুরুকে ভালো শুরু এনে দেন দুই ওপেনার জ্যাকব বেথেল ও বিরাট কোহলি। ফিফটি করে দুজনেই। বেথেল ৩৩ বলে ৫৫ রান করেন। পাঁচটি করে চার ও ছক্কায় কোহলি ৩৩ বলে ৬২ রান করেন। শেষ দিকে তাণ্ডব চালান রোমারিও শেইফার্ড। চারটি চার ও ৬টি ছক্কায় ১৪ বলে ৫৪ রানের অপ্রতিরোধ্য ইনিংস খেলেন এই ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার। এছাড়া দেবদূত পাডিক্কাল ১৭ রান করেন।
চেন্নাইয়ের হয়ে মাথিশা পাথিরানা তিন উইকেট নেন। নূর আহমেদ ও স্যাম কারেন নেন একটি করে উইকেট।
রান তাড়ায় নেমে দারুণ করেছেন আয়ুষ মহত্রী। ৯টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৪৮ বলে ৯৪ রান করেন এই ওপেনার। রবীন্দ্র জাদেজা আটটি চার ও দুটি ছক্কায় ৪৫ বলে ৭৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। এছাড়া শাইক রাশিদ ১৪ এবং ধোনি ১২ রান করেন।
বেঙ্গালুরুর হয়ে লুনগি এনগিদি তিন উইকেট নেন। যশ দয়াল ও ক্রুনাল পান্ডিয়া নেন একটি করে উইকেট।








