আসন্ন টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘোষণা দিলেও আইসিসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি তারা। এমন সিদ্ধান্তে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। এরমাঝে নীরবতা ভাঙলেন পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলী আঘা।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লাহোরে পাকিস্তান ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে একদিন আগে। জয়ের ধরন ছিল উপভোগ্য ও দাপুটে। প্রথম ম্যাচে কেবল কিছুটা লড়াই করতে পেরেছে অজিরা। পরের দুই ম্যাচে সফরকারীদের দুমড়েমুচড়ে ৯০ ও ১১১ রানে জিতেছে পাকিস্তান।
পরে সংবাদ সম্মেলনে উঠে আসে ভারত ম্যাচ বয়কট প্রসঙ্গ। জবাবে পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান জানান, এ ব্যাপারে ক্রিকেটারদের হাতে কিছু নেই। সরকার এবং ক্রিকেট বোর্ড যে নির্দেশ দেবে, সেটাই তারা মেনে চলবেন।
৩২ বর্ষী অলরাউন্ডার বলেছেন, ‘হ্যাঁ, আমরা অবশ্যই যাব। কিন্তু এটা আমাদের সিদ্ধান্ত নয় এবং এ ব্যাপারে আমাদের কিছুই করার নেই। আমাদের সরকার ও চেয়ারম্যান যা করার নির্দেশ দেবেন, তা মেনে চলতে হবে। সে অনুযায়ী আমরা যাব এবং সেটাই করব।’
যদি শেষপর্যন্ত পাকিস্তান ম্যাচ বয়কট করে, পূর্ণ পয়েন্ট পাবে ভারত। সাথে প্রশ্ন উঠেছে, পরের রাউন্ড অর্থাৎ সেমিফাইনাল বা ফাইনালে যদি ভারতের সঙ্গে ম্যাচ পড়ে, সেটিও বয়কট করবে পাকিস্তান?
২০২৬ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেয়ার প্রতিক্রিয়ায় টুর্নামেন্ট বয়কটের হুমকি দিয়েছিল পাকিস্তান। বিশ্বকাপ ইস্যুতে রোববার প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় বৈঠকে বসেছিলেন পিসিবি প্রধান মহসিন নাকভি। বৈঠকে সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, পুরো টুর্নামেন্ট না হলেও বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করবেন তারা।








