আন্তর্জাতিক

ফেসবুকে প্রেমের পরে বিয়ে, ভারতে গিয়ে থাই নারীর ভয়ংকর অভিজ্ঞতা

ফেসবুকে প্রেমের পরে বিয়ে, ভারতে গিয়ে থাই নারীর ভয়ংকর অভিজ্ঞতা

ছবি সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়, এরপর প্রেম ও বিয়ে। ভালোবাসার মানুষকে বিশ্বাস করে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখেছিলেন থাইল্যান্ডের উপসর্ন। কিন্তু বিয়ের পর স্বামীর হাতে প্রায় ৬০ লাখ রুপি বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭৬ লাখ টাকা তুলে দেওয়ার পর ভারতে এসে জানতে পারেন, তার স্বামী মোহাম্মদ ইরফান আগেই বিবাহিত এবং তার তিন সন্তান রয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, থাইল্যান্ডের বাসিন্দা উপসর্ন একটি রেস্টুরেন্ট ও ক্যান্টিন পরিচালনা করেন। প্রায় চার বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতের উত্তরপ্রদেশের কানপুরের চামড়াব্যবসায়ী ইরফানের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

ইরফান নিজেকে অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে প্রায় দুই বছর আগে থাইল্যান্ডে উপসর্নকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর ব্যবসার প্রয়োজন ও বিভিন্ন খরচের কথা বলে স্ত্রীর কাছ থেকে দফায় দফায় টাকা নেন তিনি।

উপসর্নের অভিযোগ, নিজের ব্যবসার আয় ও আত্মীয়দের কাছ থেকে ধার করা অর্থ মিলিয়ে তিনি ইরফানকে প্রায় ৬০ লাখ রুপি দেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৭৬ লাখ টাকা। টাকা নেওয়ার পর ইরফান তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে ভারতে ফিরে আসেন।

এরপর ৬ অক্টোবর কানপুরে ইরফানের বাড়িতে যান উপসর্ন। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, ইরফান আগে থেকেই বিবাহিত এবং তার তিন সন্তান রয়েছে।

উপসর্নের অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে ইরফান তাকে মারধর করেন। একই সঙ্গে টাকা ফেরত পেতে হলে তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ ও বোরকা পরার শর্ত দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পরে কানপুর পুলিশের অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনারের কাছে অভিযোগ করেন উপসর্ন। তার অভিযোগের ভিত্তিতে অনওয়ারগঞ্জ থানায় মামলা করা হয়। পরে ইরফানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, বিয়ের নথি, অর্থ লেনদেনের তথ্য এবং ধর্মান্তরের জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগসহ মামলার বিভিন্ন বিষয় তদন্ত করা হচ্ছে।

বিষয়:৭৬ লাখ টাকা থাইল্যান্ড পালিয়ে গেলেন স্বামী ভারত

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…