সারা দেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আজ ছিলো বাংলা প্রথমপত্রের পরীক্ষা। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল (সি আর) আবরার।
বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) প্রথম দিন অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীদের ভিড়ে বেশিরভাগ কেন্দ্রের সামনে যানজট সৃষ্টি হয়। সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও, সময়ের চেয়ে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা আগেই অনেক কেন্দ্রের সামনেই ছিল শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভিড়।
একজন পরীক্ষার্থীর সঙ্গে অভিভাবক হিসেবে বাবা-মা, ছোট ভাই বোন যেমন এসেছেন তেমনি এলাকার স্বজনরাও এসেছেন পরীক্ষার্থীকে দেখতে। এবছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৯৭০ জন, যা গতবারের চেয়ে প্রায় এক লাখ কম। সারাদেশের পরীক্ষা কেন্দ্র রয়েছে মোট ৩ হাজার ৭১৫টি।
ব্যাপক যানজট থাকায় অনেক পরীক্ষার্থীই কেন্দ্রে প্রবেশ করেছেন কিছুটা সময় পরে। শেষ সময়ে পাঠ্য-বইয়ে চোখ বুলিয়ে নেওয়া আর তীব্র গরমে শিক্ষার্থীদের কিছুটা আরাম দিতে অভিভাবকদের হাতপাখার বাতাস, এমন মায়াময় দৃশ্য ছিলো প্রায় সব কেন্দ্রই।
নগরীর মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরিদর্শন শেষে শিক্ষা উপদেষ্টা কথা বলেন সাংবাদিকদের সঙ্গে। এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার সবছিদ্র বন্ধ করা হয়েছে।
২০২৪ সাল থেকে এবার এক লাখের কিছু কম শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে। সারাদেশের ৩০ হাজার ৪৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। পরীক্ষা শেষে ২ মাসের মধ্যে ফল প্রকাশ করার সম্ভাবনা রয়েছে।








