বিশ্বকাপের আগে কানাডার ভেঙ্কুভারে এশিয়ার ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সাথে সবচেয়ে বড় আনুষ্ঠানিক মিটিং করেছে ফিফা। তবে ফিফার ওই মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন না ইরান ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তারা। ফিফা সভাপতির সাথে মঙ্গলবার এ মিটিং হয় এশিয়ার কর্তাদের।
ইরানের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সময়ের আক্রমণে সেদেশে খেলতে চায় না ইরান। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো সভায় উপস্থিত থাকলেও ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। দলটির ভেন্যু অন্য কোথাও সরিয়ে নেয়া হবে কি না সেটাও আলোচনা হয়নি।
এএফসি কর্তাদের ইনফান্তিনো বলেছেন, ‘বিশ্ব বহু সংঘাত নিয়ে এক অত্যন্ত নাজুক, কঠিন ও বিপজ্জনক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং আপনাদের অনেকেই এই সংঘাতগুলোতে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত ও জড়িত। এখন আমাদের সেই সেতুবন্ধন পুনর্নির্মাণের উপায় খুঁজে বের করতে হবে অথবা তার বদলে ফুটবল মাঠ তৈরি করতে হবে। এমন প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে হবে যেখানে মানুষ একত্রিত হতে পারে।’
ভিসা সংক্রান্ত সমস্যার কারণে ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার ভ্যাঙ্কুভারে কনফেডারেশন সভা, বৃহস্পতিবার সামগ্রিক ফিফা কংগ্রেস এবং ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপে ইরানি প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণ ব্যাহত হতে পারে। ৪৮ দলের এই টুর্নামেন্টটি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করছে।
ভিসা সংক্রান্ত সমস্যার কারণে ইরানি প্রতিনিধিরা এএফসি কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেননি কিনা, তা স্পষ্ট ছিল না। তবে বিশ্বকাপের জন্য যোগ্যতা অর্জনকারী এএফসির নয়টি দলকে স্মারক উপহার দেয়ার সময় ঘোষণা করা হয়, ইরান তাদের স্মারকটি ‘পৌঁছানোর পর’ গ্রহণ করবে।








