লক্ষ্মীপুরে ভুল ইনজেকশনে সন্তানসহ মায়ের মৃত্যু

Police officer and civilians interacting at a crowded government office in Bangladesh. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ
লক্ষীপুরে ডাক্তারের অবহেলা প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ ওঠেছে। এতে প্রসূতি এবং তার সন্তান দু’জনেরই মৃতুই হয়েছে। এ ঘটনায় প্রসূতির স্বজনরা ডাক্তারের বিচারের দাবি করেছেন। এ নিয়ে মধ্যরাত পর্যন্ত হাসপাতাল চত্ত্বরে হাজার লোকের ভিড় জমে।
বৃহস্পতিবার রাতে জেলা শহরের উপশম হাসপাতাল নামে একটি ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটেছে।
প্রসূতির বাড়ি রায়পুর উপজেলার চরমোহনা গ্রামের বাবুর হাট গ্রামে। হাসপাতাল এলাকায় প্রসূতির স্বজনদের আহাজারিতে জনতা উত্তেজিত হয়ে ওঠলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ব্যাপারে হাসপাতালের দায়িত্বশীল কাওকে পাওয়া যায়নি।
স্বজনদের অভিযোগ, রাত ৯টার দিকে সিজার করানোর জন্য উপশম হাসপাতালে ২৫ বছর বয়সের বয়সী মুক্তার আক্তার নিজেই অপারেশন থিয়েটারে প্রবেশ করেন। পরে ডা. শংকর কুমার বসাক তাকে একটি ইনজেকশন পুশ করার পর মুক্তা তার অনাগত গর্ভের সন্তানসহ মারা যান। অজ্ঞান করার ইনজেকশন এর মেয়াদ ছিল না বলে অভিযোগ স্বজনদের। এতে প্রসূতি এবং তার গর্ভে থাকা সন্তান দুইজনেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ব্যাপারে ডা. শংকর কুমার বসাক এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ইনজেকশন দেয়ার ঘটনা অস্বীকার করেন।
রাতে শহর ফাঁড়ির এস আই তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল মতিন লাশের সুরতহাল রিপোর্ট করতে দেখা গেছে। এ ব্যাপারে পুলিশের বক্তব্য চাইলে শহর ফাঁড়ি ইনচার্জ জহির আলম ক্যামরার সামনে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেন। তবে তিনি বলেন, কেউ অভিযোগ দিলে তারা তদন্ত করে দেখবেন।






