কিশোরগঞ্জ

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মেয়েকে হত্যা: বাবা, চাচা ও চাচাতো ভাইকে মৃত্যুদণ্ড

বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যরা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে।. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মেয়েকে হত্যা মামলার আসামি পরিবারের সদস্যরা।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে মেয়েকে হত্যা করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর মামলায় বাবা, চাচা ও চাচাতো ভাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার ৬ আগস্ট দুপুরে কিশোরগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ নুরুল আমীন বিপ্লব এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-করিমগঞ্জ উপজেলার ভাটিয়া জহিরকোনা গ্রামের মৃত আ. মোতালিবের ছেলে মো. আনোয়ারুল ইসলাম আঙ্গুর মিয়া (৭৩), তার ছোট ভাই খুরশিদ মিয়া (৫২) এবং আঙ্গুর মিয়ার ছোট ভাই মেনু মিয়ার ছেলে সাদেক মিয়া (৩৬)। তিন আসামিই রায় ঘোষণার সময় পলাতক ছিলেন।

এই মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট আনোয়ারুল ইসলাম আঙ্গুর মিয়া, তার ভাই খুরশিদ মিয়া এবং ভাতিজা সাদেক মিয়া মিলিতভাবে আঙ্গুর মিয়ার মেয়ে মীরা আক্তারকে ছুরি দিয়া বুকে আঘাত করে হত্যা করে। পরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে করিমগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন তারা।

তদন্তের দায়িত্বে থাকা করিমগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অলক কুমার দত্ত এ মামলা তদন্ত করে প্রমাণ পান, প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে নিজ মেয়েকেই পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছেন আঙ্গুর মিয়া ও তার সহযোগীরা। এরপর ২০১৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর এসআই অলক কুমার দত্ত নিজে বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত বুধবার এই রায় ঘোষণা করেন। একই মামলায় নিহত মীরার মা মোছা. নাজমুন্নাহারকে এই অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়ে তাকে খালাস দেন আদালত।

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিষয়:কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ বাবা

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…