ফুটবল বিশ্বকাপের অফিসিয়াল থিম সং মানেই কলম্বিয়ান সুপারস্টার শাকিরা এবং তার সুরের জাদু। এবারের বিশ্বকাপ নিয়ে নাইজেরিয়ান আফ্রোবিট গায়ক বার্না বয়ের সাথে শাকিরার ‘দাই-দাই’ ডুয়েট প্রকাশ হয় মে মাসে। ভিউয়ারের দিক থেকে এখনও সর্বকালের সেরা থিম সংয়ের স্বীকৃতি না জুটলেও, বিলবোর্ড পরিচালিত জরিপে শ্রোতাদের পছন্দের শীর্ষে ‘দাই-দাই।
হৈ-চৈ ফেলা সুপারহিট না হলেও, জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত ইউএস টপ চার্টের শীর্ষে লাটিন পপ রিদম ও আফ্রোবিটসের সুরে গাওয়া ‘দাই-দাই। এপর্যন্ত সোয়া চার কোটি ভিউ হয়েছে ২০২৬-এর থিম সংয়ের।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে ‘দাই-দাই’ই কি সবচেয়ে জনপ্রিয় থিম সং? প্রযুক্তি এবং দিন দিন বাড়তে থাকা ভিউয়ারের এই যুগে সেই হিসাব সুনির্দিষ্টভাবে করা কঠিন। মাত্র দু’মাসে সোয়া চার কোটিবার বেজে ওঠা ‘দাই-দাই’য়ের সাথে বছরের পর বছর ধরে শ্রোতা-দর্শকদের মনোরঞ্জন করে আসা অন্যান্য বিশ্বকাপ থিম সংয়ের তুলনা চলে না।
পরিসংখ্যান বলে, ইতিহাসের সবচেয়ে বেশিবার শোনা ও জনপ্রিয় থিম সং শাকিরার গাওয়া ওয়াকা ওয়াকা এপর্যন্ত ৩৮ হাজার কোটিবার বেজে উঠলেও ইউএস টপ চার্টে ৩৮তম ছিল তার সর্বোচ্চ অবস্থান।
৩৩ কোটি ৩০ লাখ ভিউ নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ২০১৪’র ব্রাজিল আসরে পিট বুল এবং জেনিফার লোপেজের গাওয়া ‘উই আর ওয়ান’। ইউরোপের টপ চার্টেও ছিল এই গান। ১৯৯৮’র আসরে থিম সং হিসেবে প্রথম ফুটবল দুনিয়ায় আলোড়ন তোলে ইউরোপের টপ চার্ট দখল করা ‘কাপ অব লাইফের’ সম্মোহনী সুর। রিকি মার্টিনের সেই সুরে আজো উন্মাতাল হয় ফুটবলাঙ্গন।
থিম সং নিয়ে বিলবোর্ডের পরিচালতি জরিপে সর্বকালের সেরা থিম সং শাকিরা-বার্না বয়ের দাই-দাই, দ্বিতীয় ও তৃতীয়স্থানে আছে যথাক্রমে ওয়াকা ওয়াকা এবং ‘কাপ অব লাইফ।’







