কক্সবাজারে হোটেল কক্ষে নারীর গলাকাটা মরদেহ, পরিচয় নিয়ে রহস্য

ছবি: প্রতিনিধি।
কক্সবাজার শহরে একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষের বাথরুম থেকে কুলসুমা আক্তার (২৬) নামে এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার সঙ্গে স্বামী পরিচয়ে হোটেলে ওঠা এক যুবক ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে কক্সবাজার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসংলগ্ন স্ট্যান্ড পার্ক রিসোর্টের ৩০২ নম্বর কক্ষের বাথরুম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী এ তথ্য জানান।
নিহত কুলসুমা ঈদগাঁও উপজেলার চাঁন্দেরঘোনা এলাকার মোহাম্মদ আলমের মেয়ে এবং একই এলাকার মোহাম্মদ হারুনের স্ত্রী।
পুলিশ জানায়, হোটেলের নথিতে কুলসুমার সঙ্গে ওঠা যুবকের নাম মোহাম্মদ আরফান উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নিহতের স্বজনরা এ নামে কাউকে চেনেন না বলে জানিয়েছেন।
ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ হোটেলটির ৩০২ নম্বর কক্ষে গিয়ে বাথরুম থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় নারীর মরদেহ উদ্ধার করে। তার গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
স্বজনদের বরাতে পুলিশ জানায়, পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী হারুনের বিরুদ্ধে কুলসুমার দায়ের করা একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন। বুধবার ওই মামলার শুনানির দিন ছিল। সকালে তিন বছরের শিশুসন্তানকে নিয়ে তিনি আদালতে হাজিরা দিতে যান।
ঘটনার পর কুলসুমার সঙ্গে হোটেলে ওঠা যুবকটি পালিয়ে যান। তার পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি নিহতের পরিবারও। পুলিশ বলছে, ওই যুবকের সঙ্গে কুলসুমার সম্পর্কের ধরন কী ছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
তবে কুলসুমা আদালতে হাজিরা দিতে যাওয়ার পর কখন এবং কীভাবে হোটেলে উঠেছিলেন, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারেনি পুলিশ।
ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হোটেলটির দুই কর্মচারীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের পর ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।






