বছরে শত কোটি টাকার সুপারি বিক্রি

ছবি: সংগৃহীত
মাত্র ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত মেঘনা পাড়ের হাইমচর উপজেলা। চাঁদপুর জেলার ১৩৪ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই জনপদের অর্থনীতির বড় একটি চালিকাশক্তি সুপারি আবাদ। বছরে প্রায় ১০০ কোটি টাকার সুপারি বিক্রি হয়। উৎপাদিত এসব সুপারি স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পাশপাশি চলে যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।
উপজেলার মেঘনার পূর্ব পাড়ের বাড়ি, বাগান ও পানের বরজের চার পাশে সুপারি বাগান। এখানকার এমন কোনো বাড়ি নেই, যেখানে সুপারি গাছ নেই। উপজেলার ৫২৮ হেক্টর জমিতে এবার সুপারির আবাদ হয়েছে। ভাদ্র ও আশ্বিন মাসে এসব সুপারি বেশি বিক্রি হয়। কৃষকদের কাছ থেকে কিনে স্থানীয় হাওলাদার বাজারের পাইকারি আড়তে জমা করেন ব্যবসায়ীরা।
উপজেলার সবচেয়ে বড় এই পাইকারি বাজারে ১০ জন বড় ব্যবসায়ী রয়েছেন। হাইমচরের পাশাপাশি লক্ষ্মীপুর ও রায়পুর থেকেও এখানে সুপারি আসে। শুধু এই বাজারেই বছরে ৩০ থেকে ৩৫ কোটি টাকার সুপারি বিক্রি হয়।
চাঁদপুর হাইমচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাকিল খন্দকার বলেন, ৮০ পিস সুপারি ১৬০ থেকে ২০০ টাকা এবং শুকনা সুপারি প্রতি কেজি ৩৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এখানকার কৃষকরা সুপারি বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে বেশ স্বাবলম্বী।
বছরজুড়ে উৎপাদিত এই সুপারি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে চলে যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। একজন কৃষক বছরজুড়ে কমপক্ষে ৭০ হাজার থেকে এক লাখ টাকার সুপারি বিক্রি করে সংসার চালান। তবে দেশীয় চাষিদের সুরক্ষায় বিদেশ থেকে সুপারি আমদানি বন্ধের দাবি তাদের।




