কিংসটনে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১০১ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ২০০৯ সালের পর ক্যারিবিয়ানে টেস্ট জিতল টিম টাইগার্স। ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে সিরিজ। সামনে রয়েছে ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টির লড়াই। স্যাবিনা পার্কে প্রথম ইনিংসে ১৬৪ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর জয়ের কথা চিন্তাই করতে পারেননি কেউ। চারদিনেই অবিশ্বাস্য জয়ে বড় অবদান রেখেছেন নাহিদ রানা ও তাইজুল ইসলাম। প্রথম ইনিংসে রানার ৫ উইকেট, পরের ইনিংসে তাইজুল ৫ উইকেট নিয়ে ক্যারিবীয় ব্যাটিংয়ে ধস নামান। ২৮৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামা ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটের দল গুটিয়ে যায় ১৮৫ রানে। ৫০ ওভার দীর্ঘ হয় স্বাগতিকদের দ্বিতীয় ইনিংস।
৪.০০
সংক্ষিপ্ত স্কোর
টস– বাংলাদেশ
ফল– বাংলাদেশ ১০১ রানে জয়ী
সমাপ্তি– সিরিজ ড্র (১-১)
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস– ১৬৪/১০ (৭১.৫)
সাদমান ইসলাম-৬৪, মেহেদী হাসান মিরাজ-৩৬
জাডেন সিলস-৪/৫, শামার জোসেফ-৩/৪৯, কেমার রোচ-২/৪৫
ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংস– ১৪৬/১০ (৬৫)
কেসি কার্টি-৪০, ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট-৩৯
নাহিদ রানা-৫/৬১, হাসান মাহমুদ ২/১৯
(প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের লিড- ১৮)
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস-২৬৮/১০ (৫৯.৫)
জাকের আলী-৯১, সাদমান ইসলাম-৪৬, মেহেদী হাসান মিরাজ-৪২
কেমার রোচ-৩/৩৬, আলজারি জোসেফ ৩/৭৭
(ওয়েস্ট ইন্ডিজের লক্ষ্য- ২৮৬)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় ইনিংস-১৮৫/১০ (৫০)
কাভেম হজ-৫৫, ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট-৪৩
তাইজুল ইসলাম-৫/৫০, হাসান মাহমুদ-২/২০
৩.৫৫
রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ
চলতি বছরে দেশের বাইরে ৩টি টেস্ট জিতেছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে ২ টেস্টের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করেছে দল। এর আগে কখনোই এক বছরের মধ্যে দেশের বাইরে দুটির বেশি টেস্ট জিততে পারেনি বাংলাদেশ। সর্বশেষ ২০০৯ সালে দেশের বাইরে ২টি টেস্ট জিতেছিল টিম টাইগার্স। সেটি ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতেই। মূল ক্রিকেটাররা বোর্ডের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে সিরিজটি খেলেননি। বিকল্প দল খেলায় স্বাগতিকরা।
৩.৫০
উইকেট নম্বর ৯
জয় থেকে আর এক উইকেট দূরে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদ এক ওভারে দুই উইকেট তুলে খেলার দৈর্ঘ্য কমিয়ে এনেছেন। আলঝারি জোসেফকে বোল্ড করার পর এলবিডব্লিউ করেছেন কেমার রোচকে।
৩.২৭
এবার হাসানের আঘাত, জয় থেকে ২ উইকেট দূরে বাংলাদেশ
আলঝারি জোসেফকে বোল্ড করে দিলেন হাসান মাহমুদ। ১৭৪ রানে ৮ উইকেট হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জয় থেকে ২ উইকেট দূরে বাংলাদেশ।
৩.১৫
তাইজুলের ৫ উইকেট
দারুণ বোলিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে চতুর্থ দিনেই জয়ের সুবাস পাচ্ছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। ১৬৪ রানে ৭ উইকেট হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
৩.০০
তাসকিনের দ্বিতীয় আঘাত
জাস্টিন গ্রেভসকে বোল্ড করে জয়ের দারুণ সম্ভাবনা জাগিয়েছেন তাসকিন আহমেদ। ১৫৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
২.৩৮
এবার রিভিউ নিয়ে বাঁচতে পারলেন না হজ
একাই ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৪ উইকেট শিকার করলেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি স্পিনার সবশেষ ফিরিয়েছেন কাভেম হজকে। আগেরবার রিভিউ নিয়ে বাঁচলেও এবার আর রক্ষা হয়নি। ৭৫ বল ৫৫ রানের ইনিংস খেলে ফিরেছেন সাজঘরে। দেড়শর আগেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ হারিয়েছে ৫ উইকেট।
২.০০
৩ সাফল্যের দ্বিতীয় সেশন
সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের চতুর্থ দিনের চা বিরতিতে বাংলাদেশ দল গেছে স্বস্তি নিয়েই। এই সেশনে ১১০ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৩ উইকেট তুলে নিয়েছে সফরকারী দল। ১ উইকেট হারিয়ে ২৩ রান নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চা বিরতিতে যাওয়ার সময় স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৩৩ রান। আরও ১৫৪ রান প্রয়োজন ওয়েস্ট ইন্ডিজের। বাংলাদেশের চাই ৬ উইকেট।
১.৩১
তাইজুলের আরও এক সাফল্য
৪ উইকেটের ৩টিই তুলে নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। টানা দুই ওভারে ধরেছেন শিকার। সবশেষ ফিরিয়েছেন আথানেজকে (৫)। টার্নে পরাস্ত হয়ে বোল্ড হয়েছেন বাঁহাতি ব্যাটার। ১০৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। লক্ষ্য ২৮৭। জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ।
১.২০
ব্র্যাথওয়েটকে ফেরালেন তাইজুল
ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ একশ ছোঁয়ার আগে ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটের উইকেট তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। ৬৩ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলা ক্যারিবীয় ওপেনার তাইজুল ইসলামের বলে মাহমুদুল হাসান জয়ের হাতে ক্যাচ দেন। স্বাগতিকদের সংগ্রহ তখন ৯২।
১.২০
রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন হজ
তাইজুল ইসলামের বলে এলবিডব্লিউর আবেদনে সাড়া দিয়েছিলেন আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা। ব্যাটার রিভিউ নিলে দেখা যায় বল আগে লেগেছিল ব্যাটে।
১.০১
লক্ষ্যের পথে দ্রুত ছুটছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ
উইকেট হারালেও আগ্রাসী ব্যাটিং চালিয়ে যাচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২৮৭ রানের লক্ষ্যে চতুর্থ দিনের চা বিরতির আগে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ১৯ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৭৯ রান। ব্র্যাথওয়েট ৪৪ বলে ৩৯ ও হজ ১৬ বলে ১৪ রানে অপরাজিত আছেন।
১২.৩৫
জুটি ভাঙলেন তাসকিন
দারুণ এক ইনকামিং ডেলিভারিতে কার্টিকে সাজঘরে পাঠালেন তাসকিন। ব্যাটের কানা ছুঁয়ে বল জমা পড়ে লিটনের গ্লাভসে। ৫৭ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ক্যারিবীয়দের লক্ষ্য ২৮৭ রান।
১২.০৬
দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ
২৮৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজ শুরুতে উইকেট হারালেও আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে চাপ সামলেছে। ১০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৬ রান তুলেছে স্বাগতিক দল। ওয়ানডে ঢংয়ে ব্যাট করে চলেছেন ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট। ২৫ বলে ৩০ রানে অপরাজিত আছেন এ ওপেনার।
১১.০৫
মধাহ্ন বিরতির আগে সাফল্য এনে দিলেন তাইজুল
২৮৭ রানের লক্ষ্যে নেমে ভালো শুরু পেয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম চার ওভারে ২৩ রান তোলেন দুই ওপেনার ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট ও মিকেলে লুইস। পঞ্চম ওভারে প্রথমবারের মতো বলে এসে আঘাত হানলেন তাইজুল। টাইগার স্পিনারের ডেলিভারি ব্যাটে লেগে লুইসের প্যাডে লাগে। বল হালকা উপরে উঠে যায়। শর্ট লেগে থাকা ফিল্ডার দীপু লাফ দিয়ে বল তালুবন্দি করেন। ২৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মধ্যাহ্ন বিরতির পর ২৬৪ রানের লক্ষ্যে নামবে ক্যারিবীয়রা।
১০.৩৬
কিংসটনে জাকের ঝলক, জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ
১০.৩৪
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস: ২৬৮/১০ (৫৯.৫)
জাকের আলী-৯১, সাদমান ইসলাম-৪৬, মেহেদী হাসান মিরাজ-৪২
কেমার রোচ- ৩/৩৬, আলজারি জোসেফ ৩/৭৭, শামার জোসেফ- ২/৭০
ওয়েস্ট ইন্ডিজের লক্ষ্য ২৮৬
টস- বাংলাদেশ,
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ১৬৪/১০ (৭১.৫)
সাদমান ইসলাম-৬৪, মেহেদী হাসান মিরাজ-৩৬
জাডেন সিলস-৪/৫, শামার জোসেফ-৩/৪৯, কেমার রোচ-২/৪৫
ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংস- ১৪৬/১০ (৬৫)
কেসি কার্টি-৪০, ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট-৩৯
নাহিদ রানা-৫/৬১, হাসান মাহমুদ ২/১৯
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের লিড- ১৮
১০.৩২
৯১ রানে থামলেন জাকের, উইন্ডিজের লক্ষ্য ২৮৭
ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিটা পাওয়া হল না জাকেরের। চার-ছক্কায় বাংলাদেশকে একাই টানছিলেন। ৯১ রানে থাকতে আলঝারি জোসেফের বলে ছক্কা মারতে গিয়ে ডিপ মিডউইকেটে ধরা পড়লেন অ্যালিক অ্যাথানেজের হাতে। তাতে ২৬৮ রানে থামল বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস। ২৮৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাটে নামবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
১০.১৬
রোচের তৃতীয় শিকার তাসকিন
জাকের আলি একপ্রান্তে দারুণ করলেও অন্যপ্রান্তে তাকে সঙ্গ দিতে পারছে না কেউ। তাইজুল-মুমিনুল-হাসানের পর এবার ফিরে গেলেন তাসকিন। কেমার রোচের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে গেলেন রানের খাতা খোলার আগে। বাংলাদেশ ২৪৬/৯।
১০.০৬
হাসান মাহমুদকে ফেরালেন রোচ, বাংলাদেশ ২৪৩/৮
৫৫তম ওভারের শেষ বলে অষ্টম উইকেট হারাল বাংলাদেশ। কেমার রোচের বলে স্লিপে হজের হাতে ক্যাচ দেন। ১২ বলে ৩ রান করেন।
৯.৫৪
জাকেরের তৃতীয় ফিফটি, ২৫০ রানের লিড পেরিয়ে বাংলাদেশ
৫৪তম ওভারে আলঝারি জোসেফের উপর চড়াও হয়েছেন জাকের। ছক্কা মেরে নিজের ষষ্ঠ ইনিংসে ক্যারিয়ারের তৃতীয় ফিফটি পূর্ণ করেন। পরের দু-বলেও বাউন্ডারি আদায় করে নেন। দুই ছক্কা ও এক চারে ১৮ রান তোলেন টাইগার ব্যাটার। ৫৪ ওভার শেষে ৭ উইকেটে ২৩৬ বাংলাদেশ। জাকের ৬১ রানে এবং হাসান ৩ রানে ব্যাট করছেন। বাংলাদেশের লিড ২৫৪ রান।
৯.৫১
আরও একটি রিভিউ নষ্ট উইন্ডিজের
৫৩তম ওভারের পঞ্চম বলে কেমার রোচের আউট সুইং বল জাকেরের ব্যাটের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। ক্যাচের আবেদন করেন ক্যারিবীয়রা। আম্পায়ার সাড়া না দিলে রিভিউ নেন, বিপ্লেতে সফলতে আসেনি। তিন রিভিউয়ের দুটিই নষ্ট করল স্বাগতিকরা।
৯.৪১
মুমিনুলের ১৮তম ডাক
অসুস্থতার কারণে তৃতীয় দিন মাঠের বাইরে ছিলেন মুমিনুল হক। চতুর্থ দিনে ব্যাটে আসেন। চার বল টিকলেন কেবল। টানা দ্বিতীয় ইনিংসে ডাক মেরে ফিরে গেলেন কেমার রোচের শিকার হয়ে। মুমিনুলের ১৮তম ডাক এটি। গত ইনিংসেই আশরাফুলের ১৬তম ডাক ছাড়িয়ে যান। ১৮ ডাক নিয়ে দেশের শীর্ষে মুমিনুল।
৯.৩৪
তাইজুলকে ফেরালেন জোসেফ
দিনের ৯ম ওভারে প্রথম শিকার তুলে নিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আলঝারি জোসেফের বাউন্সারে পরাস্ত হন তাইজুল। তার গ্লাভস ছুঁয়ে হেলমেটের গ্রিলে লেগে প্রথম স্লিপে দাঁড়ানো কাভেম হজের হাতে জমা পড়ে বল। ৫০ বলে ১৪ রান করে ফিরলেন তাইজুল।
৯.১৩
রিভিউ নষ্ট করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ
আলঝারি জোসেফের বাউন্সারে পুল করতে গিয়ে মিস করেন জাকের আলি। টাইগার ব্যাটারের হেলমেটে বল লেগে যায় জোসেফের হাতে। ক্যাচের আবেদন করেন ক্যারিবীয় ফিল্ডাররা। আম্পায়ার অবশ্য আবেদনে সাড়া দেননি। পরে রিভিউ নেয় তারা। শেষ পর্যন্ত নটআউটই থাকেন জাকের। রিভিউ নষ্ট হয় উইন্ডিজের।
৯.০১
২০০ পেরিয়ে বাংলাদেশ
চতুর্থ দিনের শুরু থেকে দেখেশুনে খেলছেন জাকের আলী ও তাইজুল ইসলাম। উইন্ডিজ ব্যটারদের সামলাতে বেগও পেতে হচ্ছে। দুজেন দৃঢ়তায় দ্বিতীয় ইনিংসে ২০০ রান পেরোল বাংলাদেশ। ৪৪ ওভারে ৫ উইকেটে ২০২, সবমিলিয়ে লিড ২২০ রান।
৮.৪০
চতুর্থ দিনে বড় লিডের লক্ষ্য বাংলাদেশের
নাহিদ রানার ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ১৮ রানের লিড পায় বাংলাদেশ। পরে ব্যাটাদের আগ্রাসীতে তৃতীয় দিনটা নিজেদের করে নিয়েছে টিম টাইগার্স। তৃতীয় শেষে ২১১ রানের লিড নিয়েছে মেহদী হাসান মিরাজের দল। চতুর্থ দিনে লিড বড় করতে নামবে লাল-সবুজের দল।
৫ উইকেটে ১৯৩ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করবে টিম টাইগার্স। ৪৯ বলে ২৯ রানে জাকের আলী এবং ২২ বলে ৯ রানে ব্যাট করছেন তাইজুল ইসলাম।
৬.০০
২০০৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এ রেকর্ড গড়েছিলেন ব্রায়ান লারা-ক্রিস গেইলরা।
৪.৪০
স্যাবিনা পার্কে বাংলাদেশকে অলআউট করে রানতাড়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে জিততে হলে গড়তে হবে ইতিহাস।
৪.২৫
সংক্ষিপ্ত স্কোর
টস- বাংলাদেশ, তৃতীয় দিন শেষে
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ১৬৪/১০ (৭১.৫)
সাদমান ইসলাম-৬৪, মেহেদী হাসান মিরাজ-৩৬
জাডেন সিলস-৪/৫, শামার জোসেফ-৩/৪৯, কেমার রোচ-২/৪৫
ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংস- ১৪৬/১০ (৬৫)
কেসি কার্টি-৪০, ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট-৩৯
নাহিদ রানা-৫/৬১, হাসান মাহমুদ ২/১৯
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের লিড- ১৮
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস- ১৯৩/৫ (৪১.৪)
সাদমান ইসলাম-৪৬, মেহেদী হাসান মিরাজ-৪২, জাকের আলী- ২৯*
শামার জোসেফ- ২/৭০, জাস্টিন গ্রেভস- ১/২০
৪.২০
২১১ রানের লিডে দিন শেষ
দ্বিতীয় ইনিংসে ২১১ রানের লিড নিয়ে তৃতীয় দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ। ৪১.৪ ওভার খেলে ১৯৩ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ, হারিয়েছে ৫ উইকেট।
৩.৫৬
২০০ রানের লিড
প্রথম ইনিংসের ১৮ রানের লিডের সাথে দ্বিতীয় ইনিংস মিলিয়ে ৩৮ ওভারে এসে ২০০ রানের লিড পেয়ে গেছে বাংলাদেশ। ৫ উইকেট হারানো মিরাজের দল ভালো সংগ্রহের দিকে এগোচ্ছে। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটে নেমে পাঁচের বেশি রেটে রান তুলেছে সফরকারীরা।
৩.৩৮
লিটন বোল্ড
তৃতীয় সেশনে সাফল্য পেতে শুরু করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জাকের আলীর সাথে ৪১ রানের জুটি গড়ার পর জাস্টিন গ্রেভসের বলে ২৫ রানে বোল্ড আউট হয়েছেন লিটন। তখনও ব্যাটে দেখা যায়নি মুমিনুল হককে, কিছুটা অসুস্থ দেখা গেছে তাকে।
৩.১০
দলীয় ১৫০
৩০তম ওভারে এসে দলীয় ১৫০ রান হয়েছে বাংলাদেশের। শামার জোসেফকে বাউন্ডারি মেরে ১৫০ রান পূর্ণ করেন জাকের আলী। একই ওভারে জাকেরের ক্যাচ হাতছাড়া করেন কিপার ডি সিলভা।
২.৪৫
১৫০ রানের লিডের পর মিরাজের বিদায়
দ্বিতীয় ইনিংসে চা বিরতির পর ১৫০ রানের লিড পেয়েছে বাংলাদেশ। সাদমানের বিদায়ের পর লিটন দাসের সঙ্গে মিরাজ দেড়শ পার করান বাংলাদেশকে। তার এক বল পর শামার জোসেফের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন অধিনায়ক মিরাজ। অধিনায়কের থেকে আসে ৪২ রানের ইনিংস।
২.৩০
সাদমানকে ফেরালেন শামার
উইকেটে থিতু হয়ে যাওয়া ওপেনার সাদমান ইসলামকে ফিরিয়েছেন শামার জোসেফ। অফ স্টাম্পের বাইরের বল শট খেলতে গিয়ে কানায় লেগে কিপারের হাতে ধরা পড়েন তিনি, করেন ৪৬ রান, ভাঙে ৭০ রানের তৃতীয় উইকেট জুটি।
২.০০
১২৮ রানের লিডে চা বিরতিতে বাংলাদেশ
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটে নেমে সিরিজের সবচেয়ে বেশি রানরেটে স্কোর করেছে বাংলাদেশ। ১২০ বল খেলে টাইগারদের এসেছে ১১০ রান, সবমিলিয়ে বাংলাদেশের লিড দাঁড়িয়েছে ১২৮ রানে। ওপেনার জয়ের পর হারিয়েছে দীপুর উইকেট।
১.৪০
দলীয় শতক
১৬তম ওভারে দলীয় শতরান পূর্ণ হয়েছে বাংলাদেশের। সাদমান ৪১ ও মিরাজ ২৩ রানে ব্যাট করছেন। এসময় লিড দাঁড়িয়েছে ১২০ রানের।
১.৩৫
৩০ বলে ৫০ রানের জুটি
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে টি-টুয়েন্টি মনোভাবে ব্যাট করছে বাংলাদেশ। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৩০ বলে ৫০ রানের জুটি গড়েছেন মিরাজ ও সাদমান। শামার, আলঝারি, সিলস বা গ্রেভস কাউকে ছাড় দিচ্ছেন না দুই ব্যাটার। শেষ পাঁচ ওভারে ১০ বাউন্ডারি মেরেছেন মিরাজ-সাদমান।
১.৩১
১০০ পার লিড
নিয়মিত বোলারদের দিয়ে কাজ না হওয়ায় বলে আসেন জাস্টিন গ্রেভস, তাতেও কাজ হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ডানহাতি পেসারের দ্বিতীয় বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে লিড শতরান পার করেছে বাংলাদেশ।
১.২৯
১২ বলে ২৯
১২তম ওভারে শামার জোসেফ এবং ১৩তম ওভারে জেডান সিলসকে তুলোধুনা করেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও সাদমান ইসলাম। টি-টুয়েন্টি মনোভাবে দুই ওভার থেকে দুজনে নিয়েছেন ২৯ রান। দুইশ’র বেশি স্ট্রাইকরেটে ব্যাট করছেন মিরাজ, শাহাদাতের দেখানো পথে হাঁটছেন সাদমান।
১.১৭
মিরাজের টানা চার বাউন্ডারি
১২তম ওভারে শামার জোসেফের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে লংঅফে দুর্দান্ত শটে একই ধরনের প্রথম দুটি বাউন্ডারি হাঁকান। পরের দুই বলে ইনসাইড এজে একই ধরনের আরও দুটি বাউন্ডারি আসে মিরাজের ব্যাট থেকে।
১.১৩
দলীয় ফিফটি
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটে নেমে দলীয় ৫০ রান পূর্ণ হয়েছে বাংলাদেশের। মারমুখী মনোভাবে খেলতে থাকা দীপুর ব্যাট থেকে এসেছে অর্ধেকের বেশি রান। ১১তম ওভারে সাদমান ইসলাম জোসেফকে বাউন্ডারি মেরে দলীয় ফিফটি পূর্ণ করেন।
১.০৮
শাহাদাতের বিদায়
আলঝারি জোসেফকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ক্যাচ আউট হয়েছেন টি-টুয়েন্টি মনোভাবে খেলতে থাকা শাহাদাত হোসেন দীপু। ২৬ বল খেলে ২৮ রান করেছেন তিনি।
১২.৫৩
ফিফটি লিড
ইনিংসের অষ্টম ওভারে দলীয় লিড ৫০ রান পেরিয়েছে। ১৮ রানের লিডের সাথে দুই ব্যাটারের ৩২ রানের জুটিতে বাংলাদেশের লিড ৫০ রান পেরোয়।
১২.৪৮
মারমুখী শাহাদাত পেলেন জীবন
মাহমুদুল হাসান জয়ের আউটের পর ব্যাটে এসে মারমুখী খেলছেন শাহাদাত হোসেন দীপু। সপ্তম ওভারের দ্বিতীয় বলে শট খেলতে গিয়ে নিকট স্লিপে ক্যাচ তুলেছিলেন ডানহাতি তারকা, সেখানে দাঁড়ানো ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট নিতে পারেননি ক্যাচটি।
১২.৪৫
দ্বিতীয়বার বাংলাদেশের এমন রেকর্ড
সিরিজ রক্ষার ম্যাচে নেমে প্রথম ইনিংসে ১৬৪ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ। নাহিদ রানার দারুণ বোলিংয়ে সেই রানেই লিড পেয়েছে টিম টাইগার্স। বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে দ্বিতীয়বার এমন ঘটনা, ২০০ রানের আগে অলআউট হয়েও লিড এলো। ২০০৮ সালে প্রথমবার সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৯২ রান করে ২২ রানের লিড তুলেছিল বাংলাদেশ।
১২.৪২
৬১ রানে ৯ উইকেট
প্রথমদিনে ভালো অবস্থানে থাকার পর দ্বিতীয় দিনে নাহিদ রানার কাছে মোমেন্টাম হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। স্বাগতিকরা ৬১ রানে শেষ ৯ উইকেট হারিয়েছে। নাহিদ রানার আগেরদিনে প্রথম উইকেটের পর নতুন দিনে আরও ৪ উইকেট নিয়েছেন। দ্বিতীয় দিনে এক উইকেট হারিয়ে ৭০ রান করেছিলেন ব্র্যাথওয়েটরা।
১২.৩৫
টানা তিন বাউন্ডারি
স্লো উইকেটের পিচে টানা তিন বাউন্ডারি পেয়েছে বাংলাদেশ। চতুর্থ ওভারের শেষ দুই বলে আলঝারি জোসেফকে শাহাদাত দীপু দুই বাউন্ডারি মারার পর পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে ৪ লেগবাই রান আসে। লেগ স্টাম্পের বাইরে সুইং করলে উইকেটকিপার নাগাল পাননি বলের।
১২.১৬
ডাক মারলেন জয়
প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ হয়েছেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। জেডান সিলসের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে ডাক মেরে সাজঘরে ফিরে গেছেন ডানহাতি ওপেনার। প্রথম ইনিংসে ৩ রান করেছিলেন তিনি।
১২.১০
নাহিদ রানার সাথে দুর্দান্ত বল করেছেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম।
১২.০৫
সংক্ষিপ্ত স্কোর
টস- বাংলাদেশ
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ১৬৪/১০ (৭১.৫)
সাদমান ইসলাম-৬৪, মেহেদী হাসান মিরাজ-৩৬
জাডেন সিলস-৪/৫, শামার জোসেফ-৩/৪৯, কেমার রোচ-২/৪৫
ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংস- ১৪৬/১০ (৬৫)
কেসি কার্টি-৪০, ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট-৩৯
নাহিদ রানা-৫/৬১, হাসান মাহমুদ ২/১৯
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের লিড- ১৮
১২.০০
রানার ৫ উইকেট, বাংলাদেশের লিড
নাহিদ রানার প্রথমবার ৫ উইকেট শিকারে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১৮ রানের লিড পেয়েছে বাংলাদেশ। কেমার রোচকে ফিরিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৪৬ রানে থামিয়েছে টিম টাইগার্স।
১১.৫৫
লিটনের সাথে সিলসের তর্ক
শামার জোসেফের আউট হওয়ার পর শেষ উইকেটে ব্যাটে আসেন জাডেন সিলস। প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকান মিরাজের বলে, তখন উইকেটের পেছন থেকে স্লেজিং করতে থাকেন লিটন দাস। কিছুটা তর্কাতর্কির পর আম্পায়ার এসে দুজনকে থামালে আবার ব্যাট শুরু করেন সিলস।
১১.৪৯
মিরাজের আঘাত, ফিরলেন শামার
মধ্যাহ্ন বিরতি থেকে ফিরে প্রথম আঘাত হেনেছেন অধিনায়ক মিরাজ। বাঁহাতি শামার জোসেফকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে লিডের আরও কাছে বাংলাদেশ।
১১.০৬
সুবিধাজনক অবস্থায় মধ্যাহ্ন বিরতিতে বাংলাদেশ
দ্বিতীয় দিনের হতাশা কাটিয়ে তৃতীয় দিন সকালে দারুণ শুরু করেছে বাংলাদেশ। প্রথম সেশনে মধ্যাহ্ন বিরতিতে যাওয়ার আগে ৭ উইকেট নিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন নাহিদ রানা। এ পেসার একাই নিয়েছেন ৪ উইকেট।
১১.০২
রোচের ক্যাচ হাতছাড়া করলেন রানা
মেহেদী মিরাজের বলে কেমার রোচের ক্যাচ হাতছাড়া করেছেন নাহিদ রানা। মিরাজের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে স্কয়ার লেগে ক্যাচ তোলেন, পাবো কী পাবো না এমন দোটানায় ক্যাচ হাতছাড়া হয়ে বাউন্ডারি হয়ে যায়।
১০.৩৯
নাহিদের চতুর্থ শিকার আলজারি জোসেফ
জোসেফকে ফুলটস দিয়েছিলেন নাহিদ রানা। পুশ করেছিলেন, খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। মিডঅফে মিরাজ দারুণ ক্যাচে বল লুফে নেন। ৭ রান করেন জোসেফ। ১২৩ রানে অষ্টম উইকেট হারাল উইন্ডিজ। নাহিদের চতুর্থ শিকার এটি।
১০.২৯
রিভিউ নিয়ে কেসি কার্টিকে ফেরালেন হাসান
হাসান মাহমুদের লেগস্টাম্পের বাইরের ডেলিভারি ফ্লিক করতে চেয়েছিলন কেসি কার্টি। ইনসাইড এজ হয়। বল গ্লাভসবন্দি করেন লিটন দাস। টাইগারদের জোরাল আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। পরে রিভিউ নিয়ে উইকেট আদায় করে নেয় বাংলাদেশ। ৪০ রান করেন কার্টি।
১০.১৯
জসুয়াকে ফেরালেন হাসান
হাসানের জোরাল আবেদনে আম্পায়ার সাড়া দিয়ে দেন। জসুয়া ডি সিলভা রিভিউ নেন। রিভিউতে দেখা যায় লেগস্টাম্পে ৫০ শতাংশের কম স্পর্শ করেছে বল। অর্থাৎ, আম্পায়ার্স কলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে গেলেন জসুয়া। ৫ বলে ৯ রান করেন। ১১৪ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
১০.০১
পঞ্চম সাফল্য এলো তাইজুলের হাত ধরে
পেসারদের ভালো শুরুর পর তাইজুল ইসলাম বাংলাদেশকে সাফল্য এনে দিয়েছেন। জাস্টিন গ্রেভসকে বোল্ড করেছেন বাঁহাতি স্পিনার। ১০৫ রানে পঞ্চম উইকেট হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
৯.৪৪
এবার আঘাত হানলেন তাসকিন
নাহিদের তিন শিকারের পর বাংলাদেশকে চতুর্থ সাফল্য এনে দিলেন তাসকিন আহমেদ। টাইগার পেসারের ইয়র্কারে পরাস্ত হয়েছেন অ্যালিক আথানজে। ৯ বলে ২ রানে বোল্ড হয়ে ফিরে গেছেন। ১০০ রানে চতুর্থ উইকেট হারাল উইন্ডিজ।
৯.২৮
লিটনের দারুণ ক্যাচ, নাহিদের তৃতীয় শিকার হজ
নিজের আগের ওভারেই ব্র্যাথওয়েটকে ফেরান নাহিদ। পরের ওভারে আবারও আঘাত হানলেন। উইকেটরক্ষক লিটন দাসের দুর্দান্ত ক্যাচে কাভেম হজকে (৩) নিজের তৃতীয় শিকার বানালেন টাইগার পেসার।
৯.১৩
দিনের প্রথম শিকার এনে দিলেন নাহিদ
তৃতীয় দিনের ষষ্ঠ ওভারে এসে বাংলাদেশকে সাফল্য এনে দিয়েছেন নাহিদ রানা। টাইগার পেসারর ১৪২ কি.মি. গতিতে করা বাউন্সারে পরাস্ত হন ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট। গালিতে জাকির হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৩৯ রান করে ফেরেন।
৮.৫০
তৃতীয় দিনের খেলা শুরু, বোলিংয়ে লড়াইয়ের আশা বাংলাদেশের
স্যাবিনা পার্কে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ১৬৪ রানে থেমেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিনে আশা জাগিয়েছেন বোলাররা। ১ উইকেট হারিয়ে ৯৪ রানে পিছিয়ে থেকে তৃতীয় দিন শুরু করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্র্যাথওয়েট ৩৩ রানে এবং কেসি কার্টি ১৯ রানে ব্যাট করছেন।
৪.৩০
দ্বিতীয় দিন শেষে ১ উইকেট হারিয়ে ৭০ রান তুলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একমাত্র উইকেটটি নিয়েছেন ডানহাতি পেসার নাহিদ রানা।
৪.১৫
সংক্ষিপ্ত স্কোর
টস- বাংলাদেশ, দ্বিতীয় দিন শেষে
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ১৬৪/১০ (৭১.৫)
সাদমান ইসলাম-৬৪, মেহেদী হাসান মিরাজ-৩৬
জাডেন সিলস-৪/৫, শামার জোসেফ-৩/৪৯, কেমার রোচ-২/৪৫
ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংস- ৭০/১ (৩৭)
ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট-৩৩*, কেসি কার্টি-১৯*
নাহিদ রানা-১/২৮
৪.০০
রিভিউয়ে বাঁচলেন ব্র্যাথওয়েট
প্রথম ওভারে বল করতে এসে ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা হাত উঁচু করলে রিভিউ নেন উইন্ডিজ অধিনায়ক। টিভি আম্পায়ার রিপ্লেতে দেখেন ইমপ্যাক্ট আউটসাইড, বেঁচে যান ব্র্যাথওয়েট।
৩.৪০
ব্র্যাথওয়েটের ক্যাচ হাতছাড়া
২৮তম ওভারে তাইজুল ইসলামের বলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটের ক্যাচ হাতছাড়া করেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ওই ওভারের দ্বিতীয় বলে ব্র্যাথওয়েট ব্যাট চালান অনসাইডে, অফসাইডে শটে দাঁড়ানো মিরাজের হাতে গেলেও বল ধরতে পারেননি।
৩.৩০
রিভিউ নিয়ে ব্যর্থ বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ফিল্ডিংয়ে প্রথম রিভিউ নিয়ে ব্যর্থ হয়েছে। তাইজুলের বলে ক্যাচের আবেদন করেন লিটন দাস, আম্পায়ার আউট না দিলে রিভিউ নিয়ে ব্যর্থ হন মেহেদী হাসান মিরাজ।
৩.২৫
উইন্ডিজের ফিফটি
ধীরে ব্যাট করতে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের ফিফটি হয়েছে ২৫তম ওভারে। নাহিদ রানার বল লেগবাইতে ৪ হলে পঞ্চাশ পূর্ণ হয় স্বাগতিকদের। বাংলাদেশের মতো স্বাগতিকদের রানও চলছে দুইয়ের একটু বেশি রেটে।
৩.২০
১৫০.৩!
বোলিংয়ে নেমে গতির ঝড় তুলেছেন ডানহাতি পেসার নাহিদ রানা। ২৩তম ওভারের পঞ্চম বলে গতি তুলেছেন ১৫০.৩ কিলোমিটার। গতি বুঝে বল ছেড়ে দিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট।
২.২০
নাহিদ রানায় প্রথম সাফল্য
চা বিরতি থেকে ফিরে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দিয়েছেন পেসার নাহিদ রানা। ১৪৭ কি.মি গতিতে মিকাইলে লুইসকে লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি করেন টাইগার পেসার। ২৫ রানের সময় প্রথম সাফল্য পায় বাংলাদেশ।
২.০০
চা বিরতি
বাংলাদেশকে দ্রুত অলআউট করে ব্যাটে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোনো উইকেট না হারিয়ে চা বিরতিতে গেছে। ১০ ওভার খেলে ১৬ রান সংগ্রহ করেছে দলটি। ১০ ওভারের পাঁচটি মেডেন নিয়েছেন বাংলাদেশের পেসাররা।
১.২০
পাঁচ রান দিয়ে চার বা তার বেশি উইকেট নেয়া ষষ্ঠ বোলার জাডেন সিলস।
১.১০
সংক্ষিপ্ত স্কোর
টস- বাংলাদেশ
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ১৬৪/১০ (৭১.৫)
সাদমান ইসলাম-৬৪, মেহেদী হাসান মিরাজ-৩৬, শাহাদাত হোসেন দিপু-২২
জাডেন সিলস-৪/৫, শামার জোসেফ-৩/৪৯, কেমার রোচ-২/৪৫
১.০৩
শূন্য রানে রানার বিদায়
শূন্য রানে নাহিদ রানাকে বিদায় করে বাংলাদেশের ইনিংসের ইতি টেনেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কোনো রান যোগ করতে পারেননি ডানহাতি রানা, বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ১৬৪ রানে।
১২.৫৩
বিদায় নিলেন মিরাজও
সিলসের এক ওভারে বাংলাদেশ হারিয়েছে দুই উইকেট। ওভারের প্রথম বলে তাসকিন আহমেদকে আউট করার পর বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হয়েছেন অধিনায়ক মিরাজ। মূল্যবান ৩৬ রান এসেছে অধিনায়কের থেকে।
১২.৪৭
দুর্দান্ত ক্যাচে সাজঘরে তাসকিন
জাডেন সিলসের শর্ট বলে পুল শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ আউট হয়েছেন তাসকিন আহমেদ। তাসকিনের ব্যাটে লেগে বল কিপার জসুয়া ডি সিলভার গ্লাভস থেকে দ্বিতীয় স্লিপ অ্যালিক অ্যাথানেজের হাতে যায়, ভুল করেননি অ্যাথানেজ। ১৬ বল খেলা তাসকিনের থেকে আসে ৮ রান।
১২.৩০
আক্রমণাত্মক মেজাজে মিরাজ
তাইজুল ইসলামের বিদায়ের পর বেশ আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা গেছে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজকে। দুই-এক রান নেয়ার পাশাপাশি বাউন্ডারি মারার চেষ্টা করছেন ডানহাতি ব্যাটার। দলীয় রান ১৫০ পার হয়েছে।
১২.১৩
তাইজুলের বিদায়
টপাটপ উইকেট পড়ার পর অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ স্পিনার তাইজুল ইসলামের সঙ্গে দারুণ এক জুটি গড়েছিলেন। তাদের জুটিতে এসেছে মূল্যবান ৩৯ রান। মধ্যাহ্ন বিরতি থেকে ফিরে আলঝারি জোসেফের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছেন তাইজুল, করেছেন মূল্যবান ১৬ রান।
১১.০৫
মধ্যাহ্ন বিরতি
দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশন খুব একটা সুখকর হয়নি বাংলাদেশের জন্য। প্রথম সেশনে মিরাজের দল তুলেছে ৫৩ রান, হারিয়েছে ৪ উইকেট। ফিফটি করা ওপেনার সাদমান ইসলাম সাজঘরে ফিরেছেন। মিরাজ ও তাইজুল ইসলামের ২৪ রানের জুটিতে দলীয় শতরান পার করেছে সফরকারীরা।
১১.০০
দুইয়ের বেশি উঠছে না রানরেট
প্রথমদিনে ৩০ ওভার খেলে রানরেট দুইয়ের বেশি ওঠেনি বাংলাদেশের। দ্বিতীয় দিনেও রানরেট বাড়াতে পারেনি টিম টাইগার্স। প্রথমদিনের দুই উইকেটের পর দ্বিতীয় দিনে প্রথম সেশনে পড়েছে ৪ উইকেট, এসেছে ৫০ রান।
১০.৩০
আট মেডেন
২৩ বর্ষী জাডেন সিলস এপর্যন্ত ১১ ওভার বল করেছেন। এরমধ্যে আট ওভার মেডেন নিয়েছেন ডানহাতি পেসার। ধারাবাহিকভাবে বল করে বিপদে ফেলেছেন বাংলাদেশের ব্যাটারদের।
১০.১০
দলীয় শতরান
দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিনে সমানে উইকেট পড়ছে। এরমধ্যে দলীয় শতরান পার করেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিন মাঠে নেমে ছয়টি মেডেন ওভার দিয়েছে বাংলাদেশ। ৪৬.১ ওভারে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বাউন্ডারি মেরে দলের শতরান পূরণ করেন।
৯.৫৭
জোসেফের তৃতীয় শিকার সাদমান
পরপর চার ব্যাটারকে হারিয়ে চাপে পড়েছে বাংলাদেশ। শতরানের আগেই ফিরেছেন ৬ ব্যাটার। ৪৪.১ ওভারে ওপেনার সাদমান ইসলামকে নিজের তৃতীয় শিকার বানান শামার জোসেফ। ১৩৭ বলে ৬৪ রান করেন বাংলাদেশ ওপেনার।
৯.৪৭
জাকের আলিও টিকলেন না
লিটনের পথ ধরলেন জাকের আলি অনিকও। ১ রান করে আউট হয়ে গেলেও লিটনের চেয়ে চার বল বেশি খেলেছেন। ১০ বলেই ইনিংস গুটিয়েছেন শামার জোসেফের শিকার হয়ে। ৯৫ রানে ৫ ব্যাটারকে হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ।
৯.৩০
এসেই ফিরে গেলেন লিটন
দ্বিতীয় দিনের শুরুটা ভালো হলেও দীপু ফিরে যাওয়ার পর লিটন দাসের উইকেটও হারিয়েছে বাংলাদেশ। ৬ বল খেলে ১ রান করে জাডেন সিলসের বলে কাভেম হজের হাতে বল দিয়ে ফিরে গেছেন তিনি।
৯.২২
বোল্ড হয়ে ফিরে গেলেন দীপু
দ্বিতীয় দিনে সাবধানী শুরু করেছিলেন সাদমান ও দীপু। দেখেশুনে প্রথম ৮ ওভার পার করেছেন। দিনের নবম ওভারে ভুল করে বসেন দীপু। শামার জোসেফের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান। ৮৯ বলে ২২ রান করেন। ৮৩ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
৮.৪৭
১৫ মিনিট আগে খেলা শুরু
প্রথমদিনে ৬০ ওভার খেলা কম হওয়ায় রোববার দ্বিতীয় দিনে খেলা শুরু হয়েছে নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগে। এদিনের খেলায় বাধা দিতে পারে বৃষ্টি। শঙ্কা আছে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে।
৫.০০
অবশ্য এ দুই ব্যাটারকে তিনবার জীবন দিয়েছেন উইন্ডিজ ফিল্ডাররা।
৪.৩০
সংক্ষিপ্ত স্কোর
টস- বাংলাদেশ
বাংলাদেশ- ৬৯/২ (৩০)
সাদমান ইসলাম-৫০*, শাহাদাত হোসেন দীপু-১২*
কেমার রোচ-২/২০
৪.২৫
৩০ ওভারে প্রথমদিন শেষ
ভেজা আউটফিল্ডের কারণে নির্ধারিত সময়ে খেলা শুরু হয়নি। প্রথমদিন ৩০ ওভারে খেলা শেষ হয়েছে। অপরাজিত আছেন সাদমান ইসলাম ও শাহাদাত হোসেন দীপু।
৪.২০
সাদমানের ফিফটি
চট্টগ্রামে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলে বাদ পড়েছিলেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। সেখান থেকে ফিরে দ্বিতীয় টেস্টে ফিফটির দেখা পেয়েছেন এ ওপেনার। তার ইনিংসে তিনটি চার এবং একটি ছক্কার মার রয়েছে।
৪.১৪
তৃতীয় উইকেট জুটিতে পঞ্চাশ
মাহমুদুল হাসান জয় ও মুমিনুল হকের দ্রুত বিদায়ের পর উইকেটে জমাট বাধতে শুরু করেন সাদমান ও দীপু। তাদের তৃতীয় উইকেট জুটিতে আসে পঞ্চাশ রান। এতে সাদমানের ৩৭ এবং দীপুর ১০ রান রয়েছে।
৩.৪০
সাদমানের পর জীবন পেলেন দীপু
আগের ওভারে সাদমানের জীবন পাওয়ার পরের ওভারে জীবন পেয়েছেন সাহাদাত হোসেন দীপু। জাডেন সিলেসের বলে দ্বিতীয় স্লিপে দাঁড়ানো অ্যাথানেজের হাতে ক্যাচ গেলে সেটি পড়ে যায়। সেখান থেকে প্রথম স্লিপে দাঁড়ানো কেভাম হজের হাতে আসলে তিনিও তালুবন্দি করতে পারেননি। সেখান থেকে তৃতীয় স্লিপের দিকে গেলেও তার কোনো সুযোগ ছিল না। এ নিয়ে তিনটি ক্যাচ হাতছাড়া হল ওয়েস্ট ইন্ডিজের।
৩.৩৪
দ্বিতীয়বার জীবন পেলেন সাদমান
১৫ রানের সময় আলঝারি জোসেফের বলে প্রথমবার জীবন পেয়েছিলেন সাদমান ইসলাম। ৩৫ রানের সময় আরেকবার জীবন পেয়েছেন বাঁহাতি ওপেনার। জাস্টিন গ্রেভসের বলে কাভার ড্রাইভ খেলতে গিয়ে নিকটে দাঁড়ানো ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটের হাতে ক্যাচ দেন, তালুবন্দি করতে পারেননি স্বাগতিক অধিনায়ক।
৩.২৮
দলীয় ফিফটি
ওয়েস্ট ইন্ডিজে আউটফিল্ড ভেজা এবং ধীরগতির হওয়ায় বাংলাদেশের ব্যাটারদের রান তুলতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। ৫০ বল পর প্রথম বাউন্ডারি পাওয়া টাইগারদের দলীয় পঞ্চাশ রান আসে ১৭ ওভার শেষে। ছন্দে খেলার চেষ্টা করছেন সাদমান ইসলাম।
৩.০০
সর্বাধিক ডাকের রেকর্ড মুমিনুলের
বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে সর্বাধিক ডাক হাঁকানোর রেকর্ড ছিল মোহাম্মদ আশরাফুলের দখলে। আশরাফুল ১৬ বার শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন। সেই রেকর্ড দখল করে নিয়েছেন বাঁহাতি মুমিনুল হক। দ্বিতীয় টেস্টে কেমার রোচের বলে শূন্য রানে আউট হয়ে রেকর্ডে সর্বাধিক ১৭ বার নিজের নাম যুক্ত করেছেন তিনি।
২.৫৩
জীবন পেলেন সাদমান
আলঝারি জোসেফের বলে জীবন পেয়েছেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। দশম ওভারের শেষ বলে অফস্টাম্পের বাইরে দিয়ে যাওয়া বলে খোঁচা দেন সাদমান, দ্বিতীয় স্লিপে দাঁড়ানো অ্যালিক অ্যাথানেজে সেটি তালুবন্দি করতে পারেননি। ১৫ রানে জীবন পান এ ওপেনার।
২.৫০
৫০ বল পর প্রথম বাউন্ডারি
টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্যাটে নেমে দুই ওপেনারের কেউ বাউন্ডারি মারতে পারেননি। ৫০ বল পর প্রথম বাউন্ডারি আসে শাহাদাত হোসেন দীপুর ব্যাট থেকে। রোচের বলে ব্যাটের কানায় লেগে স্লিপের মাথার উপর দিয়ে প্রথম বাউন্ডারি পায় বাংলাদেশ।
২.৩৫
ডাক মুমিনুলের
ছন্দে থাকা বাঁহাতি ব্যাটার মুমিনুল হক দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে শূন্যতে ফিরেছেন। পঞ্চম ওভারে ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়কে আউট করার পর সপ্তম ওভারে মুমিনুলকে ফিরিয়ে দেন কেমার রোচ। তিনিও জয়ের মতো খোঁচা মেরে উইকেটকিপার জসুয়া ডি সিলভার হাতে ধরা পড়েন। ৬ বলে খেলে নামের পাশে কোনো রান যোগ করতে পারেননি।
২.২৬
রোচের বলে খোঁচা দিয়ে আউট জয়
ব্যাটিং ব্যর্থতায় প্রথম ম্যাচে হারের পর ওপেনিংয়ে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ, তবে পুরনো অভ্যাস বদলায়নি ওপেনারদের। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে কেমার রোচের বলে খোঁচা দিয়ে উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ হয়েছেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। প্রথম পাঁচ ওভারে কোনো বাউন্ডারি হাঁকানোর আগে প্রথম উইকেটের পতন বাংলাদেশের। ডানহাতি ব্যাটার করেছেন মাত্র ৩ রান।
২.১০
৪৬ ওভার খেলা হবে
ভেজা আউটফিল্ডের কারণে খেলা শুরু হতে দেরি হওয়ায় দিনের অর্ধেক ওভার খেলা হবে। ক্রিকইনফো জানাচ্ছে, দিনে ৪৬ ওভার খেলা হবে।
১.৫০
বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে ইয়োহান ব্লেক
অ্যাথলেটের জনপ্রিয় ইভেন্ট ১০০ মিটার স্প্রিন্ট। উসাইন বোল্ট বা ইয়োহান ব্লেক এ ইভেন্টের অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ। জ্যামাইকার স্যাবিনা পার্কে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় টেস্ট দেখতে হাজির হয়েছেন বিশ্বের অন্যতম দ্রুততম মানব ব্লেক, কথা বলেছেন জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার ইয়ান বিশপের সঙ্গে।

১.৪০
ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে দুই পরিবর্তন নিয়ে নেমেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
১.৩৫
টসে জিতে ব্যাটে বাংলাদেশ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ভেজা আউটফিল্ডের কারণে এক সেশন খেলা হয়নি। বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় খেলা শুরু হবে।
১.১০
দেড়টায় টস, ২টায় খেলা
অবশেষে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় টেস্ট মাঠে গড়াচ্ছে। মাঠ পর্যবেক্ষণ করে দুই আম্পায়ার সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং টস হবে বাংলাদেশ সময় দেড়টায়। মাঠে খেলা গড়াবে আধা ঘণ্টা পর দুইটায়।
১২.১০
পরবর্তী পর্যবেক্ষণ ১টায়
রাত ১২টায় প্রথম পর্যবেক্ষণে মাঠ খেলার উপযুক্ত বলে মনে হয়নি আম্পায়ারদের। এজন্য পরবর্তী অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায়। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে প্রথমটিতে হেরে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ।
১১.০০
মধ্যাহ্ন বিরতি
আউটফিল্ড ভেজা হওয়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ-বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্টের প্রথমদিনের প্রথম সেশন ভেস্তে গেছে। বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় মধ্যাহ্ন বিরতি থাকলেও আগেভাগেই বিরতিতে গেছে দুদল। মূলত মাঠ অপ্রস্তুত বলে অপেক্ষা বেড়েছে টসের।
১০.২২
ভেস্তে গেল প্রথম সেশন
মাঠ অপ্রস্তুত থাকায় ভেস্তে গেল প্রথম সেশন। মাঠের অগ্রগতি দেখতে স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় ফের পর্যবেক্ষণ করবেন দুই আম্পায়ার।
৮.৩৭
মাঠ প্রস্তুত নয়, টসে দেরি
অ্যান্টিগায় হার দেখেছে বাংলাদেশ। কিংস্টনে হোয়াটওয়াশ এড়াতে নামছে টিম টাইগার্স। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে আটটায় টসের কথা থাকলেও তা হয়নি। মূলত মাঠ অপ্রস্তুত বলেই অপেক্ষা বেড়েছে টসের। আউটফিল্ড ভেজা থাকায় পিছিয়ে গেছে টসের সময়।
৪.৪০
সিরিজ বাঁচাতে একাদশে আসতে পারে একাধিক পরিবর্তন।
৪.৩৪
টানা তৃতীয় হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্যে নামছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল।







