ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ রক্ষার দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয় হয়েছে বাংলাদেশের। ভেজা আউটফিল্ডে প্রথমদিনে খেলা কম হয়, দুই উইকেট হারিয়ে ৬৯ রান করার পর দ্বিতীয় দিনে আর ৯৫ রান যোগ করে অলআউট হয়েছে টিম টাইগার্স। ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুর্দান্ত বোলিংয়ের দিনে উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স ছিল জাডেন সিলসের।
প্রথমদিনে বাংলাদেশের বিপর্যয়ের শুরুটা করেছিলেন ডানহাতি পেসার কেমরা রোচ। তার সাথে যোগ দেন জাডেন সিলস, আলঝারি জোসেফ, শামার জোসেফ ও জাস্টিন গ্রেভস। সিলস ১৬ ওভার বল করে মেডেন ওভারই করেছেন ১১টি, ৫ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪ উইকেট।
পাঁচ রান দিয়ে চার বা তার বেশি উইকেট নেয়া ষষ্ঠ বোলার জাডেন সিলস। ১৫.৫ ওভার বল করা সিলসের ইকোনোমি ০.৩১, ১৯৭৮ সালের পর ছেলেদের টেস্ট ক্রিকেটে ৬০ বা তার বেশি বল করা বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে কম ইকোনোমির রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
বাংলাদেশের ইনিংসে সর্বোচ্চ রান এসেছে বাঁহাতি ওপেনার সাদমান ইসলামের থেকে, ২০৭ মিনিট ক্রিজে থেকে করেছেন ৬৪ রান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৬ রান এসেছে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের থেকে। শাহাদাত হোসেন দীপু করেছেন ২২ রান।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের শামার জোসেফ ৪৯ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট, কেমার রোচ ৪৫ রানে নেন ২ উইকেট। একটি উইকেট পান আলঝারি জোসেফ।
জ্যামাইকার স্যাবিনা পার্কে শনিবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টসে জিতেছিলেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। মাঠ অপ্রস্তুত থাকায় টসে দেরি হয়। ততক্ষণে ভেস্তে যায় দিনের এক সেশন, প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা পর হয় টস। দুই পরিবর্তন নিয়ে আগে ব্যাটের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। ওপেনার জাকির হাসানের পরিবর্তনে একাদশে আসেন সাদমান ইসলাম। পেসার শরিফুল ইসলামকে বিশ্রাম দিয়ে নাহিদ রানাকে সুযোগ দেয়া হয়।







