মেয়েদের সাফ ফুটসালে প্রথম আসরেই চ্যাম্পিয়ন হয়ে ফিরেছে বাংলাদেশ। শিরোপাজয়ী লাল-সবুজের দল শনিবার এসেছিল চ্যানেল আই ভবনে সংবর্ধনায়। সেখানে চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তাপ্রধান শাইখ সিরাজ বলেন, সাফজয়ীদের আরও সম্মান পাওয়া উচিৎ।
শনিবার বেলা ১১টার দিকে বাফুফের বাসে চ্যাম্পিয়নরা চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে পৌঁছান। ফুলেল অভ্যর্থনা ছিল। পরে তারকাকথন অনুষ্ঠানে শাইখ সিরাজ বলেন, ‘বাংলাদেশের মেয়েদের সাফল্যের শেষ নেই এবং সবচেয়ে বড় কথা সাফ ফুটবল যতবার জিতে এসেছে, আমার মনে পড়ে যে, একবার বোধহয় আমরা চ্যানেল আই স্টুডিওতে বা প্রাঙ্গণে ডাকতে পারিনি। প্রতিবারই এই আনন্দ মুহূর্তটি ওদের সাথে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাথে আমরা এনজয় করেছি। নিঃসন্দেহে এটা বাংলাদেশের জন্য একটা মুহূর্ত, যে মুহূর্তটাকে গর্ব করা যায়।’
‘গতকাল (বৃহস্পতিবার) একটা কারণে এয়ারপোর্টে গিয়েছিলাম। হঠাৎ করে দেখি, একই পোশাক পরা অনেকগুলো ছেলে-মেয়ে যাচ্ছে। তখন মনে হল আরে, এরা তো ফুটসাল বিজয়ী হয়ে এসেছে তারা। আমি ওদের পিছনে পিছনে গেলাম। আমার হাতে তখন একটা মোবাইল ফোন ছিল। পরে একটা ইন্টারভিউ করলাম।’
সাফজয়ীদের সাথে হঠাৎ দেখা হওয়া নিয়ে শাইখ সিরাজ বলেন, ‘ওখানে দেখা হল সবার সাথে। খুব সারপ্রাইজিং, কাকতালীয়ভাবে মিলে গেল। যাই হোক এই যে, বাংলাদেশের মেয়েদের নারীদের ফুটবলের এই প্রত্যেকবার যে গর্ব করার মতো বিজয়টা, সেটা জাতি হিসেবে আমরা নিঃসন্দেহে অনেক আনন্দিত হই, আর চ্যানেল আই পরিবার তো হয়ই।’
‘আমাদের প্রতিবার খেলোয়াড়দেরকে ডাকার মূল জায়গাটা হচ্ছে যে, যতটুকু সম্মান তাদের পাওয়া দরকার জাতির কাছ থেকে, সেটা আমরা আমাদের জায়গা থেকে ওদেরকে ডেকে একটু কথা বলি আনন্দ পাই। কিন্তু এরচেয়ে অনেকবেশি সম্মান ওদের পাওয়া উচিত।’
থ্যাইল্যান্ডের ব্যাংককে গড়ানো ফুটসাল আসরে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয় এসেছে বাংলাদেশ। প্রথম আসরে শিরোপা জিতে বৃহস্পতিবার ঢাকায় পৌঁছায় সাবিনার দল। শুরুতে চ্যাম্পিয়নদের বিমানবন্দরে ফুলেল বরণ করে নেয়া হয়। পরে ছাদখোলা বাসে চ্যাম্পিয়ন দলকে নিয়ে যাওয়া হয় হাতিরঝিল এম্পিথিয়েটারে, ঝলমলে আয়োজনে বিজয়ী দলকে সংবর্ধনা দেয় বাফুফে।
সাত দলের অংশগ্রহণে ফুটসাল আসরে ৬ ম্যাচে ৫ জয় ও এক ড্রয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে সাবিনা খাতুনের দল। ভারতকে ৩-১ গোলে হারিয়ে আসর শুরু, দ্বিতীয় ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে ৩-৩ ড্র। পরের তিন ম্যাচে নেপালকে ৩-০, শ্রীলঙ্কাকে ৬-২, পাকিস্তানকে ৯-১ এবং মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে হারায় বাংলাদেশ।







