বাংলাদেশ

মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে বছর বছর পেছনের দিকে বাংলাদেশ

Newspaper-covered hands in handcuffs symbolize press freedom issues in Bangladesh. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

Hands covered with newspaper print in handcuffs, representing challenges faced by media freedom in Bangladesh. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন

‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’ উপলক্ষে ‘মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে’র ২০২৪ সালের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে গণমাধ্যম নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ)। শুক্রবার (৩ মে) প্রকাশিত এই সূচকে ২০২৩ সালের থেকে ২ ধাপ পিছিয়ে ১৮০ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৬৫ তম। পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশের অবস্থান ক্রমাগত নিম্নমুখী। 

বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান এবং অধ্যাপক মফিজুর রহমান এই বিষয়ে চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, আরএসএফ অনেকগুলো বিষয় মূল্যায়ন করেই এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। আমার মতে প্রতিবছর আমাদের নিচের দিকে যাওয়ার অন্যতম কারণগুলো হল, দেশে বিদ্যমান আইনের কারণে অনেক সাংবাদিক লেখালেখি থেকে নিজেদের দূরে রাখেন, সাংবাদিকদের চাকরির নিশ্চয়তা ও অন্যান্য সুবিধা না থাকা, মালিক পক্ষের ওয়েজ বোর্ড না মানা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা।

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য সমাজ এবং মালিকপক্ষের উদারনীতি প্রদর্শনের আহ্বান জানান তিনি।

 

২০২৪ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গণমাধ্যম সূচকের মোট ১০০ পয়েন্টের মধ্যে বাংলাদেশ ২৭ দশমিক ৬৪ পয়েন্ট পেয়ে ১৬৫ তম স্থানে রয়েছে। ২০২৩ সালে ৩৫ দশমিক ৩১ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের ছিল ১৬৩ যা ২০২২ সালে ছিল ১৬২ তম। ২০২১, ২০২০, ২০১৯, ২০১৮ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল যথাক্রমে ১৫২, ১৫১, ১৫০ ও ১৪৬ তম। ২০১৭ সালেও এই বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪৬ তম। তার আগের বছর ২০১৬ সালে ছিল ১৪৪ নাম্বারে। ২০১৫ সালে ছিল ১৪৬ নাম্বার অবস্থানে। অর্থ্যাৎ ২০১৬ সাল থেকে মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে ক্রমাগত অবনতি ঘটেছে বাংলাদেশের।

আরএসএফ এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির এক-পঞ্চমাংশেরও বেশি মানুষ দারিদ্রসীমার নীচে বাস করে এবং মূলধারার গণমাধ্যমে তাদের প্রবেশাধিকার খুবই সীমিত। প্রতিবেদনে বাংলাদেশে সংবাদ ও তথ্যের জন্য ইন্টারনেটের ভূমিকা বাড়ছে বলেও মন্তব্য করা হয়েছে।

বিষয়:আরএসএফ গণমাধ্যম রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…