টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়নের গতি ত্বরান্বিত করতে উন্নয়ন সহযোগীদের প্রযুক্তি হস্তান্তর, অনুদান, সহজ শর্তের ঋণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত টেকসই উন্নয়নবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ফোরামের (এইচএলপিএফ) সাধারণ বিতর্কে এ আহ্বান জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।
সাধারণ বিতর্কে তিনি বলেন, বৈশ্বিক অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করা গেলে এসডিজি বাস্তবায়ন এবং বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন অগ্রযাত্রা আরও বেগবান হবে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন সরকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি সুদৃঢ় করতে ‘রিকভারি, রিস্টোরেশন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন (থ্রি-আর)’ কৌশল বাস্তবায়ন করছে।
তিনি বলেন, সরকারের অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগের অংশ হিসেবে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সবুজ শিল্পের সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ জোরদার, জীবনচক্রভিত্তিক সার্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং কৃষকদের জন্য ‘ফার্মার্স কার্ড’ চালুর মাধ্যমে গ্রামীণ জীবিকা, খাদ্যনিরাপত্তা ও কৃষি উৎপাদনশীলতা আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতি এসডিজি বাস্তবায়নে অনুদান, সহজ শর্তের ঋণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। তার মতে, বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদার হলে এসডিজি অর্জনের গতি আরও ত্বরান্বিত হবে।







