এশিয়া কাপে বাঁচামরার লড়াইয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত শুরু পেয়েছিল বাংলাদেশ। হারলেই বিদায় নিতে হবে গ্রুপপর্ব থেকে, এমন সমীকরণ মাথায় রেখে ব্যাটে নেমে শুরুটা ভালো হলেও শেষ দিকে টাইগারদের কিছুটা চেপে ধরেছিল আফগানরা। তবে তানজিদ তামিমের ফিফটিতে ভর করে আফগানদের সামনে ১৫৫ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে লিটন দাসের দল।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গ্রুপপর্বের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাটে নামে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রানের সংগ্রহ গড়ে টিম টাইগার্স।
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালোই ছিল বাংলাদেশের। উদ্বোধনী জুটিতে তানজিদ ও সাইফ হাসান ৪০ বলে ৬৩ রান করেন। সপ্তম ওভারের চতুর্থ বলে সাইফ ফিরলে জুটি ভাঙে। রশিদ খানের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ২ চার ও এক ছক্কায় ২৮ বলে ৩০ রান করেন।
পরে লিটনকে এগিয়ে নেন তানজিদ। প্রথম ১০ ওভারে ৮৭ রান তোলে টিম টাইগার্স। ১১তম ওভারের প্রথম বলে লিটনকে ফেরান নূর আহমেদ। ১১ বলে ৯ রান করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। পরে তাওহীদ হৃদয়কে নিয়ে ক্যারিয়ারের সপ্তম টি-টুয়েন্টি ফিফটি করেন তানজিদ। ২৮ বলে ফিফটি করার পথে ছিল ৪টি চার ও ৩টি ছক্কার মার।
১৩তম ওভারের পঞ্চম বলে দলীয় ১০৪ রানে ফেরেন তামিম। ৩১ বলে ৫২ রান করেন নূর আহমেদের বলে ক্যাচ দেন ইব্রাহিম জাদরানের হাতে। ১৬তম ওভারের তৃতীয় বলে দলীয় ১২১ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ১১ বলে ১১ রান করা শামীমকে ফেরান রশিদ। ১৮.১ ওভারে ১৩৯ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। একটি করে চার ও ছক্কায় ২০ বলে ২৬ রান করা তাওহিদ হৃদয়কে ফেরান আজমতউল্লাহ ওমরজাই।
পরে জাকের আলি অনিক ও নুরুল হাসান সোহান ইনিংস শেষ করেন। জাকের করে ১৩ বলে ১২ রান এবং সোহান ৬ বলে ১২ রান করেন।
আফগান বোলারদের মধ্যে নূর ও রশিদ নেন দুটি করে উইকেট নেন। আজমতউল্লাহ একটি উইকেট নেন।








