অপরাধ

মারধর ও জোরপূর্বক টাকা আদায়: ডিজিএফআইয়ের দুই সদস্যের কারাদণ্ড, চাকরি থেকে বরখাস্ত

মারধর ও জোরপূর্বক টাকা আদায়: ডিজিএফআইয়ের দুই সদস্যের কারাদণ্ড, চাকরি থেকে বরখাস্ত

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর শ্যামলীতে মোটরসাইকেল ব্যবসায়ীকে মারধর ও জোরপূর্বক টাকা আদায়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার ডিজিএফআইয়ের দুই সেনা সদস্যকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সামরিক আদালতে (কোর্ট মার্শাল) দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তাদের প্রত্যেককে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বরখাস্ত হওয়া দুই সেনা সদস্য হলেন সার্জেন্ট আল মামুন ও ল্যান্স কর্পোরাল নুরুজ্জামান।

গত ২৫ অক্টোবর রাজধানীর শ্যামলীর মোটরসাইকেল ব্যবসায়ী মো. শরীফকে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে ডিজিএফআইয়ের দুই সদস্যসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে সোহেল রানা নামে এক আনসার সদস্য মোটরসাইকেল কেনার কথা বলে শরীফকে মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা মডেল টাউনের একটি বাসায় ডেকে নেন। সেখানে তাকে আটকে রেখে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।

পরে আসামিরা শরীফকে নিয়ে যাওয়ার সময় শিশু হাসপাতালের সামনের পুলিশ চেকপোস্টে তিনি সহায়তা চান। এ সময় পুলিশ তাদের আটক করে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শরীফ বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন আনসার সদস্য সোহেল রানা এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাপ্রহরী মুকুল গাজী, মাহফুজুর রহমান ও জিয়াউল ইসলাম।

গ্রেপ্তারের পর ছয় আসামিকেই কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

পরবর্তী সময়ে ডিজিএফআইয়ের দুই সদস্যকে সামরিক কর্তৃপক্ষের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন মঞ্জুর করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে সামরিক আদালতে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সেখানে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তাদের বরখাস্ত ও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বিষয়:কোর্ট মার্শাল ডিজিএফআই মারধর ও জোরপূর্বক টাকা আদায় সামরিক আদালত

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…