অভিবাসীদের ফেরত পাঠাতে যুক্তরাষ্ট্রকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান আফগানিস্তানের

সোমবার (২ নভেম্বর) আফগান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এই আহ্বান জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিদ্যমান বাস্তবতা এবং উভয় পক্ষের বৈধ স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে এই বিষয়ে গঠনমূলক আলোচনায় অংশ নিতে প্রস্তুত আফগানিস্তান।
আফগান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, কোনো তৃতীয় দেশের নাগরিকদের সাময়িক ও সীমিত সুবিধা কিংবা অন্য কোনো স্বার্থ আদায়ের বিনিময়ে দর-কষাকষির বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৫০ জনের বেশি আফগান অভিবাসীকে ফেরত পাঠানো হতে পারে। সোমবারই প্রথম ফ্লাইট পরিচালিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকায় যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি আফগানিস্তানে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পারছে না। এই কারণে পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে এসব অভিবাসীকে আফগানিস্তানে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা এবং সাবেক সেনাসদস্য ও অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করা কয়েকটি সংগঠনের জোট জানিয়েছিল, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন কিছু আফগান অভিবাসীকে দেশে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। সীমান্তে জঙ্গি হামলার অভিযোগ নিয়ে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ইসলামাবাদের অভিযোগ, আফগানিস্তানের ভূখণ্ডে আশ্রয় নেওয়া সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো পাকিস্তানে আন্তসীমান্ত হামলা চালাচ্ছে। তবে তালেবান সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।






