নির্মাতা-প্রযোজকরা বিশ্বব্যাপী এই সিরিজটির আবেদন দেখে বিস্মিত হয়েছেন! বলছেন এটা ছিলো তাদের কল্পনাতীত! সেই ‘অ্যাডোলেসেন্স’ এখন দ্বিতীয় সিজনের সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেছে!
বিশেষ করে নেটফ্লিক্স ও হলিউড সুপারস্টার ব্র্যাট পিটের ‘প্ল্যান বি এন্টারটেইনমেন্ট’ এমনটাই চাইছেন বলে খবর। প্রথম সিজন মুক্তির পর থেকেই এটি নেটফ্লিক্সের ইংরেজি ভাষার শীর্ষ পাঁচে জায়গা করে নেয়, আর তখন থেকেই শুরু হয় আলোচনার ঝড়—কোথায় যাচ্ছে এই সিরিজের ভবিষ্যৎ? তা এখনো অনুমেয় নয়।
দর্শকরাই শুধু নন, ১৩ বছরের জেমি মিলার (অভিনয়ে ওউয়েন কুপার)–এর শীতল, ভীতিকর অপরাধ ও তার পরিণতি যেভাবে দেখানো হয়েছে, তাতে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানও স্পষ্টতই এর প্রভাব অনুভব করছে।
শেষ পর্বটি জেমির একটি শান্ত অথচ ধ্বংসাত্মক ফোন কল দিয়ে শেষ হয়, যেখানে সে শেষমেশ স্বীকার করে নেয়—সে-ই কেটিকে হত্যা করেছে। এই স্বীকারোক্তি একদিকে যেমন কাহিনির পরিসমাপ্তি টানে, অন্যদিকে রেখে যায় এক গভীর সামাজিক প্রশ্ন। এ যেন গল্পের শেষ নয়, বরং আরও কিছু শুরু হওয়ার সংকেত। বিশেষ করে নারীদের প্রতি সহিংসতা নিয়ে যুক্তরাজ্যে এ সিরিজ ঘিরে জোর বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
ডেডলাইনের বরাতে জানা গেছে, পরিচালক ফিলিপ বারান্টিনির সঙ্গে দ্বিতীয় সিজনের প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছে প্ল্যান বি এন্টারটেইনমেন্ট। যেটি পরিচালনা করছেন ডিডি গার্ডনার ও জেরেমি ক্লেইনার। যদিও এখনো কিছুই নিশ্চিত নয়, তবে দ্বিতীয় সিজনে নতুন গল্প এবং চরিত্র নিয়ে এগোনোর সম্ভাবনাই বেশি। তবে প্রথম সিজনের মতোই রয়ে যাবে তার আবেগঘন বাস্তবতা আর চেপে রাখা সত্য বলার সাহস।
জেমির কাহিনি হয়তো আর ফিরবে না, তবে সিরিজটির নিজস্ব শৈলী—এক-টেকে চিত্রায়িত হওয়া ও সমাজের অস্বস্তিকর বাস্তবতাকে তুলে ধরার ধরন—তা বজায় রাখার ইঙ্গিত মিলেছে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা—আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কবে আসে। –ডেডলাইন








