এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে স্টার্টআপ, ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য বড় ধরনের কর-সুবিধা আসতে পারে। পাশাপাশি এসব খাতের বিকাশে ৪০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
আগামীকাল ১১ জুন জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, তরুণ উদ্যোক্তা ও ডিজিটাল অর্থনীতিকে উৎসাহ দিতে একাধিক প্রণোদনামূলক পদক্ষেপ রাখা হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, স্টার্টআপ, নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৪০০ কোটি টাকার তহবিল গঠন করা হবে। চলতি অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ২০০ কোটি টাকা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বাইরে অনেক ফ্রিল্যান্সারকে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ কর দিতে হয়। এ কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব বাজেটে থাকতে পারে। একই সঙ্গে ইউটিউব, ফেসবুক, টিকটকসহ আন্তর্জাতিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের অর্জিত আয় করমুক্ত রাখার ঘোষণাও আসতে পারে।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় পর্যায়ের ১৫ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতির প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। সেবা আমদানি এবং অফিস বা স্থাপনা ভাড়ার ক্ষেত্রেও ভ্যাট ছাড়ের সুযোগ থাকতে পারে। ২০৩৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এসব সুবিধা বহাল রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ ছাড়া স্টার্টআপ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসার জন্য টার্নওভার কর শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব রাখা হচ্ছে। বর্তমানে এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর শূন্য দশমিক ১ শতাংশ টার্নওভার কর প্রযোজ্য।
খাতসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা বলছেন, দেশীয় বিনিয়োগের অভাব স্টার্টআপ খাতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। তাদের মতে, নতুন তহবিল ও কর-সুবিধা এ খাতের প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
বর্তমানে দেশে এক হাজারের বেশি স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ৫০ থেকে ৬০টি প্রতিষ্ঠান এক মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে।







