ওয়ার্ল্ড হার্ট ফাউন্ডেশন এর সভাপতি (ইলেক্ট) ড. জগত নারুলা বলেছেন, বাংলাদেশে কার্ডিওভাসকুলার বিষয়ক নিবিড় গবেষণা আরও বাড়াতে হবে এবং এ ধরনের কাজে সহযোগিতা করার ক্ষেত্রে ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানিগুলোকেও আরও এগিয়ে আসতে হবে। একই সাথে বাংলাদেশে হৃদরোগ ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল করতে ওয়ার্ল্ড হার্ট ফাউন্ডেশন সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।
গত ৩ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় হোটেল সোনারগাঁও-এর সুরমা হলে কার্ডিওভাসকুলার কেয়ার ইন বাংলাদেশ: ক্যারেন্ট স্ট্যাটাস, ফিউচার ডিরেকশন, গ্লোবাল প্রোসপেকটিভ বিষয়ক এক মতবিনিময়সভায় সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করছেন এই হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ।
এদিন মতবিনিময়সভায় সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা এবং জাতীয় অধ্যাপক ডাক্তার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ( অব.) আব্দুল মালিক। সভার শুরুতে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, জাতীয় হ্নদরোগ ইনষ্টিটিউট এবং ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের পক্ষ থেকে দেশের হৃদরোগের সার্বিক অবস্থা এবং চিকিৎসা বিষয়ক অগ্রগতি উপস্থাপন করা হয়।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা এবং জাতীয় অধ্যাপক ডা. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আব্দুল মালিক বলেন, ‘কেবলমাত্র সুষ্ঠু পরিকল্পনা এবং তা কার্যকরভাবে প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা হৃদরোগ প্রতিকার ও প্রতিরোধে সাফল্য পাব। এজন্য আমাদেও আরও রিসোর্স ও দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরি করতে হবে। একই সাথে আমাদের চিকিৎসকদের মধ্যে ভাল মোটিভেশন থাকতে হবে।’
মতবিনিময়সভায় ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস-এর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মুক্তাদিরসহ দেশের স্বনামধন্য কার্ডিওলজিস্টগণ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন সোসাইটি ফর কার্ডিওভাসকুলার এনজিওগ্রাফি এন্ড ইন্টারভেনশন্স-এর কোর্স ডিরেক্টর ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের প্রফেসর ডা. এমজি আজম। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় আরও ছিলেন প্রফেসর চৌধুরী এইচ আহসান, ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট, নেভাডা বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাস্ট্র। অনুষ্ঠানটি ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লি. এর সৌজন্যে অনুষ্ঠিত হয়।








