আন্তর্জাতিক

লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত ৩১

লেবাননে বিমান হামলার পর ধ্বংসস্তূপে উদ্ধারকর্মীরা কাজ করছে. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলার পর ধ্বংসস্তূপে উদ্ধারকর্মীরা কাজ করছে, ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন ও আগুনের দৃশ্য।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন

লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। লেবাননিজ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের বেশিরভাগই দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বাসিন্দা।

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল সোমবার এই হামলা চালানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসংঘসহ বিশ্বের অধিকাংশ পশ্চিমা দেশের চোখ ইসরায়েলের দিকে। কারণ মঙ্গলবার ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা হিজবুল্লার সঙ্গে সংঘর্ষ-বিরতির প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করবে। বিশ্বনেতাদের আশা, সংঘর্ষবিরতির প্রস্তাবে রাজি হবে ইসরায়েল। তবে আলোচনার আগে লেবাননে ইসরায়েলের আক্রমণ অব্যাহত। সোমবার লেবাননের একাধিক জায়গায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। যার জেরে অন্তত ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

লেবাননের জাতীয় সংবাদসংস্থা এনএনএ সোমবার বিকেলে দাবি করেছে, দেশের তিনটি অঞ্চল- হারেট, রেইক এবং শিয়াতে হামলা হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অধিকাংশ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ লেবাননে। চারজনের মৃত্যু হয়েছে পূর্ব দিকের অঞ্চলে।

ইসরায়েলের সেনা দাবি করছে, তারা অন্তত ২৫টি হিজবুল্লার ঘাঁটি ধ্বংস করতে পেরেছে এদিন।

এছাড়া থেমে নেই হিজবুল্লাও। সোমবার দিনভর একের পর এক রকেট হামলা চালানো হয়েছে ইসরায়েলের সীমান্ত এলাকায়। উল্লেখ্য, রোববার তারা ইসরায়েলের রাজধানীসহ একাধিক অঞ্চলে ২৫০টি রকেট ছুঁড়েছিল।

সংঘর্ষ-বিরতির আলোচনা
জাতিসংঘের পাশাপাশি ফ্রান্স, অ্যামেরিকা, জার্মানি, ইতালির মতো একাধিক দেশ আশা করছে মঙ্গলবার ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা হিজুল্লার সঙ্গে সংঘর্ষ-বিরতির প্রস্তাবে সম্মত হবে।

সোমবার অ্যামেরিকার জাতিও নিরাপত্তা কাউন্সিলের মুখপাত্র জন কিরবি সংবাদমাধ্যমকে জানান, আমাদের ধারণা, সংঘর্ষ-বিরতির প্রস্তাবটি এবার সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। তার বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এবার ইসরায়েল সহমত হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবক বলেন, আগের আলোচনাগুলো থেকে এবারের আলোচনা অনেক বেশি ফলপ্রসূ হয়েছে। তা-ই আমি আশাবাদী।

তিনি জানান, গাল্ফ এবং আরব দুনিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে লাগাতার আলোচনা চলছে। কীভাবে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব, তা নিয়ে আলোচনা অনেকটাই এগিয়েছে।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ বলেন, হিজবুল্লা এবং ইসরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষ-বিরতির আলোচনা অত্যন্ত সদর্থক জায়গায় পৌঁছেছে। দুই তরফেরই উচিত এবার সংঘর্ষ-বিরতির প্রস্তাব গ্রহণ করা।

এর আগেও ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা সংঘর্ষ-বিরতি নিয়ে আলোচনায় বসেছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত সমাধানসূত্র অধরাই থেকেছে।

বিষয়:ইসরায়েল যুদ্ধ ইসরায়েলের বিমান হামলা গাজা যুদ্ধ লেবানন

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…