প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সদ্য বিলুপ্ত ছিটমহল কুড়িগ্রামের দাসিয়ারছড়ায় যাচ্ছেন আজ বৃহস্পতিবার। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বর্ণিল সাজে সেজেছে একসময়ের সর্ববৃহৎ ছিটমহল দাসিয়ারছড়াসহ গোটা জেলা।
১৯৭৪ সালে ইন্দিরা-মুজিব সাক্ষরিত স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের দাবিতে ছিটবাসী আন্দোলন করেছে দীর্ঘ ৬৮ বছর। অবশেষে শেখ হাসিনা সরকারের কূটনৈতিক সাফল্যে গত ১ আগষ্ট ভারত-বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থাকা ১৬২ ছিটমহল মূল ভূখন্ডের সাথে যুক্ত হয়।
সদ্য বিলুপ্ত ১১১টি ছিটের মধ্যে সর্ববৃহৎ কুড়িগ্রামের দাসিয়ারছড়া। সদ্য নাগরিকত্ব পাওয়া এ মানুষগুলো এই প্রথম কোনো সরকার প্রধানের সান্নিধ্য পাবেন।
ছিটবাসীরা জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগমনে তারা অত্যন্ত আনন্দিত। তারা সব সময় সুখ দুঃখে প্রধানমন্ত্রীকে পাশে পাবেন।
এছাড়া তাদের ধরলা ও তিস্তা নদীর ভাঙ্গন রোধ, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, স্থাপনের জন্য প্রধানমন্ত্রী যথাযথ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিবেন।
৬৮ বছর অন্ধকারে থাকা মানুষগুলোর মাঝে প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুতের আলো জ্বেলে উন্নয়নের মূল স্রোতে নিয়ে আসার সূচনা করবেন।
কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাফর আলী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এ অঞ্চলের অনেক উন্নয়ন করেছেন। এলাকাবাসী চায় নদী ভাঙ্গন রোধ সহ এলাকার আরো উন্নয়ন।
কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আমিনুল ইসলাম মঞ্জু মন্ডল বলেন, প্রধানমন্ত্রী এ অঞ্চলের মন্দা দুর করেছেন। এ অঞ্চলে আজ মানুষ খাবার খেয়ে বেঁচে থাকতে পারছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সব ধরনের নিরাপত্তা প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শেষ করেছে প্রশাসন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনে পিছিয়ে পড়া কুড়িগ্রামের উন্নয়নের চাকা সামনের দিকে এগিয়ে যাবে এমন স্বপ্ন জেলাবাসীর।







