১৯৭৮ সালের ‘সুপারম্যান’ কেন এখনও সেরা?

Superman in his iconic costume standing confidently against a modern city skyline. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ
সুপারহিরো সিনেমার এখন অভাব নেই। বছর বছর বেশ কয়েকটি করে সুপারহিরো সিনেমা আসছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ছবিগুলোকে করে তোলা হয় গ্ল্যামারাস ও অ্যানিমেশনে ভরপুর। তবুও রিচার্ড ডোনারের সুপারম্যান সিনেমার আবেদন একটুও কমেনি।
সুপারম্যান (১৯৭৮) সিনেমাটিকে বলা হয় প্রথম আধুনিক ধারার সুপারহিরো সিনেমা। সুপারম্যান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ক্রিস্টোফার রিভ। এই ছবি মুক্তি না পেলে হয়তো বর্তমান ধারার সুপারহিরো সিনেমার জন্মই হতো না। এই ছবির কারণেই সুপারহিরো সিনেমার পেছনে অর্থলগ্নি করার আত্মবিশ্বাস পেয়েছে স্টুডিওগুলো। সুপারহিরো ছবিগুলোকে এখন আর শুধুমাত্র শিশুদের সিনেমা ভাবা হয় না এই ছবির কারণেই।
সুপারম্যান ছবিটি যখন মুক্তি পেয়েছিল তখন আমেরিকার একটু এলোমেলো অবস্থা ছিল। ওয়াটারগেট ও ভিয়েতনামের যুদ্ধ কেলেঙ্কারির মাঝে এই ছবি ছিল প্রচণ্ড গরমে এক পশলা বৃষ্টির মতো।
সুপারম্যান চরিত্রটি দর্শকের মনে জায়গা করে নিল। নানা অস্থিরতার মাঝে সুপারম্যান যেন ছিল আশার প্রতীক।
ক্রিস্টোফার রিভের সুপারম্যান ছিল হাসিখুশি, লাজুক। হেনরি ক্যাভিলের সুপারম্যানের মতো সবসময় রেগে থাকতো না। সুপারম্যান চরিত্রটির সম্পর্কে দর্শকের ধারণাই বদলে দিয়েছিলেন রিভস।
সিনেমার শেষের দিকে সুপারম্যান যখন আকাশে উড়ছিলেন, তখন ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে আচমকা হাসি দিয়েছিলেন। সেই দৃশ্য দর্শকদের মুগ্ধ করেছিল।
এভাবেই আমেরিকার পপ কালচারে সবচেয়ে জনপ্রিয় সুপার হিরোদের একজন বনে যায় সুপারম্যান চরিত্রটি।






