নানা আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ৬৮তম জন্মদিন। বন্ধু স্বজন ও সুহৃৎদের সঙ্গে নিয়ে জন্মদিনের প্রথম প্রহরে কেক কাটেন পরিবারের সদস্যরা। হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে বিকৃত চর্চা না করার আহ্বান জানান স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন।
বেঁচে থাকতে জন্মদিনের প্রথম প্রহরটি বন্ধু-স্বজন আর প্রিয় মানুষদের সঙ্গে গানে আর আড্ডায় কাটাতেন হুমায়ূন আহমেদ। তিনি না থাকলেও আনন্দ আয়োজন এতটুকু কমেনি গত চার বছরে। সকলের প্রিয় সে মানুষটির ৬৮তম জন্মদিনে প্রতি বছরের মত ধানমন্ডির দখিন হাওয়ায় প্রিয় মুখগুলোর একত্রিত হওয়া।

দুই ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিনের কেক কাটেন স্ত্রী, অভিনেত্রী ও নির্মাতা মেহের আফরোজ শাওন।
বাবার জন্মদিনে বাবাকে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানিয়েছে দুই পুত্র নিষাদ ও নিনিত। বড় ছেলে নিষাদ বলেন, বাবার জন্মদিনে পোস্টার বানিয়েছি। ভোরবেলায় নুহাশ পল্লীতে যাবো। ওখানে গিয়ে অনেক মজা করবো। ছোট্ট ছেলে নিনিত বাবাকে গানে গানে শুভেচ্ছো জানায়। 
বাস্তবে হুমায়ূন আহমেদ না থাকলেও পরিবারের সদস্যদের কাছে তার অস্তিত্ব বইয়ের সেলফে, লেখার টেবিলে, বারান্দায়, সোফায় ঘরের প্রতিটি প্রান্তে এখনও বর্তমান।
লেখনীর মধ্যেই হুমায়ূন চিত্রিত করেছেন ব্যক্তির ভিন্ন ভিন্ন সত্ত্বাকে। হুমায়ূনকে বুঝতে তার ইতিবাচক চর্চা জরুরি মনে করেন স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন।
তিনি বলেন, প্রতিটি সময়ে উনি এক একটি যুদ্ধ করেছেন এই প্রতিটা বিষয় নিয়ে আমি যখন আলাপ শুনি এবং যারা ওনাকে বোঝেন, যারা ওনাকে জানেন তারা যখন হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে যখন আলাপ করেন, আমার অসম্ভব ভালো লাগা কাজ করে। তাই প্রতিটি মুহূর্ত মনে হয় আমি নতুন বেঁচে উঠছি।
আগামী প্রজন্মের চলার পথ তৈরি করে গেছেন হুমায়ূনের অনুসন্ধানী মন ও মনন। সেটি বহন করে নিয়ে যেতে হবে অনেকদূর, এমনটাই মনে করেন হুমায়ূন অনুসারীরা। 
হুমায়ূন অাহমেদের জন্মদিনে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি মাহবুবুল হক শাকিল বলেন, আমরা যারা বাংলাদেশে লেখালেখি করি, হুমায়ূন আহমেদ তাদেরকে শিখিয়ে গিয়েছেন একটা কলম বিভিন্নভাবে তার প্রতিভা দেখাতে পারে। এবং এখানেই হুমায়ূন আহমেদের স্বার্থকতা। বাংলাদেশে আগামী দিনে যারা সাহিত্য নিয়ে কথা বলবেন তারা হুমায়ূনকে অনুসরন করবেন।
দেশে এবং দেশের বাইরে নানা আয়োজনে উদ্যাপন করা হচ্ছে নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের জন্মবার্ষিকী।








