গুলশানের অভিজাত হলি আর্টিজান বেকারীতে হামলায় অংশ নেওয়া জঙ্গিদের বুড়িগঙ্গা নদীতে গ্রেনেড ছোড়ার প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে র্যাশ।
শনিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান, গুলশান হামলার তদন্তকারী সংস্থা কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।
মনিরুল ইসলাম বলেন, গত বছর রমজানের আগে কোনো একদিন গুলশানে হামলাকারী জঙ্গিদের বুড়িগঙ্গা নদীতে নিয়ে যান রাশেদ ওরফে র্যাশ। সেখানে তাদেরকে কীভাবে গ্রেনেড ছুড়তে হয় সে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
ওই সময় গুলশানের হামলাকারী রোহান ইমতিয়াজের পায়ে গ্রেনেডের স্প্লিন্টার লাগে। তার চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছিল র্যাশ।
গুলশান হামলার জন্য প্রথমে র্যাশকে সিলেক্ট করা হলেও পরে তাকে বাদ দেন নব্য জেএমবির সমন্বয়ক তামিম চৌধুরী। র্যাশ তামিম চৌধুরীর খুবই আস্থাভাজন এবং স্নেহভাজন ছিলেন। কিন্তু দলে তার কোনো পদ ছিল না। পরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।
তিনি আরো বলেন, গুলশানে হামলাকারীরা যখন কথিত হিজরতের নামে বাসা ছাড়ে তখন তাদেরকে রাশেদ রিসিভ করে মিরপুরের আস্তানায় নিয়ে যায়। ভাটারা থানাধীন তাদের আস্তানার সকল ফার্নিচার কেনা ও আজিমপুরের আস্তানাটি ভাড়া নেয় সে।
জঙ্গি খালেদের মাধ্যমে র্যাশ নব্য জেএমবিতে যোগদান করে জানিয়ে মনিরুল বলেন, সে গত বছর ঢাকায় চলে আসে এবং গত রমজানের শুরুর দিকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।










