ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলের জাম্বোয়াঙ্গা সিটির একটি ক্যাথলিক জুনিয়র হাইস্কুলে সহপাঠীর গুলিতে এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। পরে অভিযুক্ত হামলাকারীও আত্মহত্যা করেছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে স্থানীয় কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান। সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ বিষয়ে প্রতিবেদন করেছে।
জাম্বোয়াঙ্গা সিটির মেয়র খাইমার আদান ওলাসো জানান, অভিযুক্ত পিস্তল নিয়ে স্কুলের একটি শ্রেণিকক্ষে ঢোকে। সেখানে টেবিলে বসে থাকা এক শিক্ষককে লক্ষ্য করে প্রথমে গুলি চালায় সে। তবে গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পরে অন্য একটি শ্রেণিকক্ষে গিয়ে এক শিক্ষার্থীকে গুলি করলে তার মৃত্যু হয়।
অস্ত্রটি কীভাবে স্কুলে নেওয়া হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান মেয়র।
এএফপি জানিয়েছে, স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি কথিত লাইভস্ট্রিম ভিডিওতে হামলার দৃশ্য দেখা গেছে। এতে হামলাকারীর দৃষ্টিকোণ থেকে বন্দুকের নল হাতে করিডোর দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে বলে মনে হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং স্কুলে আর কোনো সক্রিয় হামলাকারী নেই।
এর আগে মাত্র দুই মাস আগে ফিলিপাইনের তাকলোবান সিটিতে একটি হাইস্কুলে গুলির ঘটনায় তিন শিক্ষার্থী নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছিল। ওই ঘটনায় দুই কিশোরকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তাদের একজন নিয়মিত সহিংসতাপূর্ণ একটি অনলাইন গেম খেলত বলে তদন্তে জানা যায়।
চলতি মাসের শুরুতে থাইল্যান্ডের একটি স্কুলেও এক কিশোরের গুলিতে আটজন নিহত হন। পরে ওই কিশোর আত্মহত্যা করে। এসব ঘটনার পর অপ্রাপ্তবয়স্কদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার এবং সহিংস কনটেন্ট ও গেমের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।








