টি-টুয়েন্টিতে নিজেদের ইতিহাসের সর্বোচ্চ সংগ্রহ গড়েও প্রথম ম্যাচে ৬ উইকেটে হারতে হল বাংলাদেশকে।
শেষ চার ওভারে শ্রীলঙ্কার দরকার ছিল ১৩। ক্রিজে থিসারা পেরেরা এবং দাসুন শানাকা। ১৭তম ওভারে আসলেন রুবেল। প্রথম চারটি বলে যা করলেন, তাতেই দুই ম্যাচ সিরিজে ১-০তে এগিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা!
শুরুর দুই বলে একটি ওয়াইডসহ দেন ছয় রান। পরের বলে সিঙ্গেল। তারপর একটি বিশাল বাউন্সার। মুশফিকের আয়ত্তের বাইরে। আম্পায়ার দুই হাত প্রসারিত করার পাশাপাশি হাতের পাঁচ আঙুলও দেখিয়ে দেন। পরের বলে ম্যাচ শেষ।
বাংলাদেশ এদিন আগে ব্যাট করে টি-টুয়েন্টির ইতিহাসে নিজেদের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করে, ১৯৩। ওপেনার সৌম্য সরকার (৫১) এবং মুশফিকুর রহিম (৬৬) ফিফটি হাঁকান। রিয়াদ করেন ৪৩।
অভিষিক্ত জাকিরকে নিয়ে সৌম্য ৪৯ রানের জুটি গড়েন। এরপর মুশফিককে নিয়ে গড়েন ৫১ রানের জুটি। ইনিংসের বড় জুটিটা আসে রিয়াদ-মুশফিকের যুগলবন্দীতে, ৭৩।
শ্রীলঙ্কার শুরুটাও ভাল হয়। কুশল এবং গুনাথিলাকা উদ্বোধনীতে ৫৩ রান তোলেন। ব্রেক থ্রু আনেন নাজমুল অপু। গুনাথিলাকাকে (৩০) স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন।

কুশল মেন্ডিস ঠিকই অর্ধশতক তুলে ফেরেন। ২৭ বলে ৫৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে বিদায় নেন। তাকে ফেরান আরেক অভিষিক্ত আফিফ হোসেন। তিন নাম্বার ব্যাটসম্যান উপুল থারাঙ্গাকে (৪) দ্রুত ফিরিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান ওই অপু। চার ওভারে ২৫ রান দিয়ে এই দুই উইকেট নেন তিনি।
এরপর দাসুন শানাকাকে নিয়ে ৩৭ রান যোগ করেন ডিকেভেল্লা। ডিকেভেল্লাকে (১১) ফেরান রুবেল হোসেন। ৩.৪ ওভারে ৫২ রান খরচ করে এই একটি উইকেট তার। মোস্তাফিজ ৩২ দিয়ে উইকেটহীন। আফিফ দুই ওভারে ২৬ দিয়ে একজনকে ফেরান।







