চীনে পোল্ট্রি শিল্প বিকাশে সেদেশের সরকারের রয়েছে সুনির্দিষ্ট নিয়মনীতি। বাণিজ্যিক হিসাবটিও পুরোপুরি পাকা থাকার কারণে লোকসানের সুযোগ নেই কোনো খামারির। লেয়ার খামারের মতো ব্রয়লার পাকা থাকার কারণে লোকসানের সুযোগ কম। লেয়ার খামারের মতো ব্রয়লার খামারেও লাভের হিসাবটি একেবারে নিশ্চিত।
যেখানে জনবসতি সেখানেই পোল্ট্রি নয়। এই নিয়ম মানা যেমন বাধ্যতামূলক একইভাবে ছোট পরিসরে দুই-চার’শ পোল্ট্রির খামার গড়াও অসম্ভব এখানে। চীনের শ্যাংডং প্রদেশের ফংজিয়া পাহাড়ি এলাকায় রয়েছে ৪৬টি ব্রয়লার খামার। নিয়ন্ত্রিত ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ। বাইরের সঙ্গে ভেতরের নেই অবাধ সংযোগ।
এই খামারের তত্ববধানকারী মি.সুন বলেন, সরকারের প্রাণিসম্পদ বিভাগে কঠোর নিয়ম করে দিয়েছেন। জনবসতির এক কিলোমিটারের মধ্যে কোনো খামার গড়া যাবে না। উপরোন্ত কোনো খামার থেকে দূষিত কোনো কিছু বাতাসে মিশলে খামারটি বিরুদ্ধে তখনই ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর জন্য কঠোর মনিটরিং রয়েছে।
এমন আকারের প্রতিটি শেডে-এ রয়েছে ২০ হাজার ব্রয়লার মুরগী। ৪০ দিনে আড়াই থেকে তিন কেজি মাংস হয় দ্রুত বর্ধনশীল জাতের মুরগীগুলোর। তখনই পাঠানো হয় বাজারে। মানুষের হাতের ছোঁয়ায় নয়, বরং তথ্য প্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে সব সময় খোঁজ রাখা হয় প্রতিটি শেডের প্রতিটি মুরগী। এই সব কাজের নজরদারি রয়েছে নিউ হোপ গ্রুপের।
চীনের নিউ হোপ গ্রুপের সেলস ম্যানেজার থাং শিং ইয়েন বলেন, এই খামারগুলোর সঙ্গে নিউ হোপ গ্রুপের চুক্তি রয়েছে। যে কারণে প্রতিটি বিষয় তাদের নিয়ম মেনেই পরিচালিত হয়। গোটা চীনের খামার ব্যবস্থাপনা একই রকম। উপকরণের সহজলভ্যতা যেমন রয়েছে, একইভাবে রয়েছে নির্দিষ্ট লাভে বাজারজাত করার নিশ্চিয়তা।
সামগ্রিক অনুকূল পরিবেশেই পৃথিবীর জনবহুল দেশটির আমিষের চাহিদা পূরণের রাখছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।









