সিলেটে বিপুল পরিমান অনাবাদি জমি চাষের আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি হাতে নেয়া হয়েছে পাইলট প্রকল্প। কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
সিলেটে বছরের পর বছর বিপুল পরিমান আবাদযোগ্য জমি অনাবাদি পড়ে থাকে। উঁচু জমিতে সেচ সংকটের কারণে চাষাবাদ হয় না। এখন সে সব জমিতেই সরকারি উদ্যোগে সেচ সুবিধা সৃষ্টির পাশাপাশি প্রথম দফায় প্রতি উপজেলায় একটি করে ইউনিয়নের শতভাগ জমিকে চাষের আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকরা বলেন, এই বছর কোন জমি পতিত থাকবে না। প্রায় ৯০ হেক্টরের মতো জমি এখানে চাষাবাদের আওতায় আসবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই পাইলট প্রকল্প সফল হলে সিলেটের সব পতিত জমি আবাদের আওতায় আনতে একটি বড় পরিকল্পনা হাতে নেয়া হবে।
জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবুল হাশেম বলেন, সিলেটে আমাদের মোট অনাবাদি জমি ১৩ হাজার ৮৪১ হেক্টর। আমরা পানি সাশ্রয়ী যেসমস্ত ফসল হবে যেমন সরিষা, গম ইত্যাদি ফসল আমরা ইতিমধ্যে চাষ করেছি।
দক্ষিণ সুরমার সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্রাবন্তী রায় বলেন, আমরা পাম্পের মাধ্যমে সেচ নালা তৈরি করে পানি সরবরাহটা নিশ্চিত করেছি। যেনো কোন জমিই আমাদের অনাবাদী অবস্থায় পরে না থাকে।
মোগলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ মকন মিয়া বলেন, সারা সিলেট বিভাগে যদি এই কৃষি খেত হয় তাইলে বাংলাদেশের অর্ধাংশ খাদ্যে স্বয়ংস্বম্পূর্ণ হবে।
পাইলট প্রকল্পের জন্য প্রতিটি উপজেলার একটি করে ইউনিয়নকে বাছাই করা হয়েছে।







