করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে ৩ হাজার ৫১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মহামারির শুরু থেকে ভাইরাসটিতে মোট মৃত্যু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ লাখ ৬৬ হাজার ১৭২ জনে।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৩ লাখ ২৬ হাজার ৮১৫ জন। বিশ্বে মোট শনাক্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫ কোটি ৮৫ লাখ ৭৪ হাজার ৭৪০ জনে।
সোমবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বৈশ্বিক পর্যায়ে করোনাভাইরাসের আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার নিয়মিত আপডেট দেয়া ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে সর্বোচ্চ সংক্রমণ হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ায়। এসময়ে দেশটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন তিন লাখ ৫০ হাজার ১৭৬ জন। একই সময়ে দেশটিতে মারা গেছেন ২৫১ জন। এ নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৫ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৩ জনে।
তবে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রাশিয়া। ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় মারা গেছেন ৫৯৬ জন। এ নিয়ে দেশটিতে মৃত্যু বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৬০ হাজার ৮১১ জনে। এই সময়ে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪৪ হাজার ৯৮৯ জনের। দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৭৩ লাখ ৩৫ হাজার ১৮৬ জনে।
গত ২৪ ঘণ্টায় জার্মানিতে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন দুই লাখ ১৩ হাজার ২৬৪ জন। একই সময়ে মারা গেছেন ৩২ জন। এ নিয়ে দেশটিতে করোনা আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়ালো এক কোটি ৭২ লাখ ৪০ হাজার ৪৭৯ জনে। দেশটিতে এ পর্যন্ত মারা গেছেন এক লাখ ২৬ হাজার ১০৯ জন।
যুক্তরাষ্ট্রে সংক্রমণের হার ক্রমেই কমছে। ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন ৫ হাজার ১৪৩ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে।মারা গেছেন ১১৮ জন।এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো আট কোটি ১১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭৭ জনে এবং মৃত্যু বেড়ে দাঁড়িয়েছে নয় লাখ ৯৩ হাজার ৮১১ জনে।
এছাড়া একদিনে তুরস্কে ১৩৮ জন, ইতালিতে ৮৬ জন, ইরানে ১১৮ জন, ইন্দোনেশিয়াতে ২১৫ জন, পোল্যান্ডে ১০ জন, মেক্সিকোতে ২০৩ জন, জাপানে ১৬৯ জন, মালয়েশিয়াতে ৮৭, ফিলিপাইনে ১৬৯, হংকংয়ে ২৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।







