ট্রান্সকম গ্রুপ’র চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানের মেয়ে শাজনীন তাসনিম রহমানকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলার মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির মধ্যে গৃহকর্মী শহীদুল ইসলাম শহীদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে অন্য ৪ আসামী সৈয়দ সাজ্জাদ মইনুদ্দিন হাসান, হাসানের সহকারী বাদল, গৃহপরিচারিকা দুই বোন এস্তেমা খাতুন মিনু ও পারভীনকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
আলোচিত শাজনীন তাসনিম রহমান হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামীদের আপিল শুনানি শেষে ২০০৬ সালের ১০ জুলাই তাদের বাড়ি সংস্কার কাজে দায়িত্ব পালনকারী ঠিকাদার সৈয়দ সাজ্জাদ মইনুদ্দিন হাসান, গৃহকর্মী শহীদুল ইসলাম শহীদ, হাসানের সহকারী বাদল, গৃহপরিচারিকা দুই বোন এস্তেমা খাতুন মিনু ও পারভীনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল এবং আরেক আসামি কাঠমিস্ত্রি শনিরাম মন্ডলকে খালাস দেন হাইকোর্ট।
রায়ের বিরুদ্ধে আসামীদের করা আপিল চলতি বছরের ১১ মে শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ রায় ঘোষণা করেন।
আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানায় আসামীপক্ষ।
১৯৯৮ সালের ২৩ এপ্রিল রাতে গুলশানে নিজ বাড়িতে খুন হন শাজনীন তাসনিম রহমান। ঘটনায় পরদিন শাজনীনের বাবা লতিফুর রহমান গুলশান থানায় মামলা করেন।
একই বছর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলা করে সিআইডি।
২০০৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত শাজনীনকে ধর্ষণ ও খুনের পরিকল্পনা এবং সহযোগিতার দায়ে ছয় আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়ে রায় ঘোষণা করেন।










