চটগ্রাম থেকে ঢাকায় আসা রোহিঙ্গা চাচা ও তার ১২ বছরের ভাতিজার পাকস্থলী থেকে বের হলো বিপুল পরিমাণ ইয়াবা। বের করার পর দেখে মনে হলো যেন হাফ ছেড়ে বাঁচলো ওই রোহিঙ্গা দুজন। এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
উত্তরার পুর্ব গাওয়াইর এলাকা খেকে ডিবির জালে গ্রেপ্তারের পর তাদের মিন্টুরোড কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে পাকস্থলিতে করে মাদক পারিবহন করে তারা। শারীরিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও কেবল জীবিকার তাগিদে তারা প্রতিনিয়ত কখনো বাসে কখনো ট্রেনে করে ওই মাদক পরিবহনের কাজ করছে।
পলিথিনের প্যাকেটে ইয়াবা ভরে তা সেবন করার পর রোহিঙ্গা শিশুদের এক ধরণের সিরাপ খাওয়ানো হয়। ঢাকায় এসে আরেক ধরনের সিরাপ খাওয়ালে ওই প্যাকেটগুলো মলদ্বার দিয়ে বের হয়ে আসে বলে জানায় তারা।
ওই মাদক চক্রের মুল কারবারী মামুন শেখ, ফাহিম রহমান, শরীফ সরকার ও রাজিব আহমেদকে গ্রেপ্তার করে জিঞ্জাসাবাদ করেছে ডিবি।
মাদক চোরাকারবার অভিযোগে মামলা দায়ের করা ছাড়াও মাদক পরিবহনে শিশুদের ব্যবহার ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবহারের অভিযোগে দুটি মামলা করেছে ডিবি।










