ডাবল পাইপলাইনের মাধ্যমে সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) স্থাপনে চীনের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংকের সঙ্গে রোববার কাঠামো চুক্তি (এফএ) করতে যাচ্ছে সরকার।
এসপিএম প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে তেল চুরি বন্ধ করা যাবে। একই সঙ্গে বঙ্গোপসাগরে বিদেশ থেকে আসা জাহাজগুলো থেকে অপরিশোধিত তেল স্বল্প সময়ে খালাস করা সম্ভব হবে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব কাজী শফিকুল আজম এবং বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত মা মিংকিয়াং রোববার সকাল ১০ টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন।
সরকারি সূত্রের বরাতে সংবাদ সংস্থা বাসস জানায়, ডাবল পাইপলাইন স্থাপনের এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) । প্রকল্পটিতে চীনের এক্সিম ব্যাংক ৫ হাজার কোটি টাকা অর্থ যোগান দেবে।
কম সময়ে এবং আরো বেশি সক্ষমভাবে গভীর সমুদ্র থেকে আমদানি করা অপরিশোধিত তেল পাইপলাইনের মাধ্যমে খালাস করার লক্ষ্যে এই প্রকল্পটির নকশা করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার বছরে ১ হাজার কোটি টাকা ব্যয় সংকোচনে এই প্রকল্পটি গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, ‘প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে তেল চুরি বন্ধ এবং বঙ্গোপসাগরে বিদেশ থেকে আসা জাহাজ থেকে অপরিশোধিত তেল স্বল্প সময়ে খালাস করে তা দেশব্যাপী সরবরাহে সাহায্য করবে।
প্রকল্প সূত্র জানায়, চুক্তি অনুযায়ী সরকার টু সরকার (জিটুজি) পদ্ধতিতে এই এসপিএম নির্মাণ কাজ সম্পাদিত হবে।
এর আগে গত বছর ৮ ডিসেম্বর এসপিএম স্থাপনে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) ও চীনের পেট্রোলিয়াম ফার্ম-‘চায়না পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন ব্যুরো (সিপিপিবি), প্রকৌশল, ক্রয়, নির্মাণ ও কমিশনিং চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল।








