রাশিয়ায় পুরস্কৃত ‘ইতি, তোমারই ঢাকা’
কাজান আন্তর্জাতিক মুসলিম চলচ্চিত্র উৎসবের ১৫তম আসরে ‘রাশিয়ান গিল্ড অব ফিল্ম ক্রিটিকস অ্যাওয়ার্ড’ জিতে নিয়েছে বাংলাদেশের প্রথম অমনিবাস ছবি ‘ইতি, তোমারই ঢাকা’

তাতারস্থানের রাজধানী কাজানে ৩০ এপ্রিল পর্দা নামলো ‘কাজান আন্তর্জাতিক মুসলিম চলচ্চিত্র উৎসব’-এর ১৫তম আসরের। আর এই উৎসবে পুরস্কার জিতলো ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত বাংলাদেশের প্রথম অমনিবাস চলচ্চিত্র ‘ইতি, তোমারই ঢাকা’।
খবরটি চ্যানেল আই অনলাইনকে নিশ্চিত করেছেন ইমপ্রেস টেলিফিল্মের কনসালটেন্ট (ফিল্ম) ও নির্মাতা আবু শাহেদ ইমন। বুধবার সকালে তিনি জানান, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রেস্টিজিয়াস চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শন ও প্রতিযোগিতা বিভাগে নির্বাচিত হচ্ছে ‘ইতি, তোমারই ঢাকা’। তারই ধারাবাহিকতায় রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত ‘কাজান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’-এর চলতি আসরে প্রতিযোগিতা বিভাগে প্রদর্শিত হয় ছবিটি। ৩০ এপ্রিল উৎসব সমাপনী দিনে ‘ইতি, তোমারই ঢাকা’ চলচ্চিত্রটির পুরস্কার ঘোষণা হয়।
কাজান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অফিশিয়াল ফেসবুক পেইজ ও ওয়েব সাইট ঘেটে দেখা যায়, সদ্য শেষ হওয়া আন্তর্জাতিক এই চলচ্চিত্র উৎসবে ‘রাশিয়ান গিল্ড অব ফিল্ম ক্রিটিকস অ্যাওয়ার্ড’ জিতে নিয়েছে ‘ইতি, তোমারই ঢাকা’।
বাংলাদেশের এই অমনিবাস চলচ্চিত্রটির পক্ষে পুরস্কারটি গ্রহণ করেন ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল (শোভন)।
উৎসবে এবার ‘গ্র্যান্ড পিক্স’-এর জন্য সেরা ফিচার ফিল্ম নির্বাচিত হয়েছে কিরগিস্তানের ছবি ‘সং অব দ্য ট্রি’, ‘গ্রেইন’ ছবির জন্য সেরা নির্মাতার পুরস্কার পেয়েছেন তুরস্কের সেমিহ কাপলাগ্লু, সেরা ডকুমেন্টারির পুরস্কার পেয়েছে ইরানি নির্মাতা ইয়াসির তালেবির ‘ফেভারিট’।
এছাড়াও সম্প্রতি জয়পুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘শ্রেষ্ঠ মৌলিক চিত্রনাট্য’র পুরস্কার জিতে নেয় ছবিটি। ছবিটির প্রদর্শনী হয়েছে কোলহাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, চেন্নাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, ইন্দোনেশিয়ার জগজা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, ভারতের মুম্বাই থার্ড আই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ও আওরঙ্গবাদ চলচ্চিত্র উৎসবে।
সাম্প্রতিক ঢাকার চিত্র নিয়ে ১১ তরুণ নির্মাতা তৈরি করেছেন ‘ইতি, তোমারই ঢাকা’। তারা হলেন গোলাম কিবরিয়া ফারুকী, মাহমুদুল ইসলাম, মীর মোকাররম হোসেন, রাহাত রহমান, রবিউল আলম রবি, সৈয়দ সালেহ আহমেদ সোবহান, সৈয়দ আহমেদ শাওকী, তানিম নূর, তানভীর, কৃষ্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায় ও নুহাশ হুমায়ূন।









