অসাধারণ বোলিং নৈপুণ্য প্রদর্শন করে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ৪৯ রানের বড় জয় পেয়েছে রাজশাহী কিংস। পুঁজি ছিল মাত্র ১২৮ রান, এ রানেও নিজেদের বোলিংয়ের সেরাটা আর লড়াকু মনোভাব দিয়েই জয় ছিনিয়ে নিয়েছে ড্যারেন স্যামি, মিরাজ ও অপুরা। ১৬ বল হাতে রেখে রংপুরকে অলআউট করে মাত্র ৭৯ রানে।
১২৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম দুই ওভার থেকে ১৫ রান তোলেন শাহজাদ ও সৌম্য। তবে তৃতীয় ওভারে আক্রমণে এসে প্রথম বলেই রংপুর শিবিরে হানা দেন মিরাজ। মিরাজকে ডাউন দ্য ট্র্যাকে এসে খেলতে গিয়ে স্ট্যাম্পিংয়ের শিকার হন সৌম্য সরকার(১)। পরের ওভারে শাহজাদকে(১২) স্যামির ক্যাচ বানিয়ে রাজশাহী শিবিরকে উল্লাসে মাতান মোহাম্মদ সামি।
শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপের মুখে পড়া রংপুরকে টেনে তোলার দায়িত্ব ছিল জামশেদ ও ডওসনের কাঁধে। কিন্তু মিরাজের করা পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে জামশেদ (১)প্যাভিলিয়নে ফিরে গেলে ম্যাচের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নেয় রাজশাহী। পরের ওভারে আক্রমণে এসে ডওসনকে(২)লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে রংপুরকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন নাজমুল হোসেন।
শহিদ আফ্রিদি থাকায় আশায় বুক বেঁধেছিল রংপুর রাইডার্স। কিন্তু নাজমুল ইসলামের করা নবম ওভারের চতুর্থ বলে এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে স্ট্যাম্পিং হয়ে এই পাকিস্তানি (৭)ফিরে গেলে হারের শঙ্কার মুখে পড়ে রংপুর।
খানিক পর সামিত প্যাটেলের করা দশম ওভারের শেষ বলে উইকেটের পেছনে উমর আকমলের দুর্দান্ত ক্যাচের শিকার হয়ে মিঠুন (২০) সাজঘরে ফিরলে উৎসবের মঞ্চ তৈরি হয় রাজশাহীর।
৫০ রানে ছয় উইকেট পড়ে গেলে আর ম্যাচে ফিরতে পারে নি রংপুর। উল্টো শেষদিকে পেসার আবুল হাসান রাজু বোলিংয়ে এসে দ্রুত তিন উইকেট তুলে নিলে ৭৯ রানেই গুটিয়ে যায় রংপুর।
এরআগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটসম্যানদের ব্য্যাটিং ব্যর্থতার কবলে পড়ে রাজশাহী। শেষদিকে ফরহাদ রেজার ৪৪ ও মেহেদি হাসান মিরাজের ৪১ রানের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২৮ রান করে রাজশাহী কিংস।
মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৪৩ রানের মধ্যে সাত উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় রাজশাহী। অষ্টম উইকেট জুটিতে অবিচ্ছিন্ন ৮৫ রান যোগ করেন ফরহাদ রেজা ও মেহেদি মিরাজ।
ফরহাদ রেজা ৩২ দুটি চার ও দুটি ছয়ে ৪৪ অন্যদিকে মিরাজ ৩৩ বলে তিনটি জার ও একটি ছয়ে ৪১ রান করেন।
রাজশাহীর বোলারদের মধ্যে আবুল হাসান রাজু, নাজমুল অপু তিনটি করে উইকেট নেন। এছাড়াও মেহেদি মিরাজ নেন দুই উইকেট।









