জামিন নামঞ্জুর করে বিতর্কিত শিল্পপতি রাগীব আলীকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সিলেট মহানগর অতিরিক্ত মূখ্য হাকিম উম্মে সরাবন তহুরা তারাপুর চা বাগান দখলের দুটি মামলায় জামিন আবেদন নাকচ করে রাগীব আলীকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে তোলা হয়।
দুটি মামলায় জামিন আবেদন নাকচ করে হলেও সিলেটের ডাক’ প্রকাশনা সংক্রান্ত আরেকটি মামলায় তাকে জামিন দেওয়া হয়।
রাগীব আলীকে বুধবার ভারতের করিমগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে ভারতের ইমিগ্রেশন পুলিশ।
ভারতে করিমগঞ্জের ইমিগ্রেশনে বুধবার রাগিব আলী ভিসার মেয়াদ বাড়াতে যান। ভিসার মেয়াদ পার হওয়ার পরও গত ১০ আগস্ট থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত তিন মাস ভারতে থাকার কারণে করিমগঞ্জ ইমিগ্রেশনে গেলেই তাকে গ্রেফতার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারক (চিঠি) জালিয়াতি ও প্রতারণা করে সিলেটের দু’হাজার কোটি টাকার দেবোত্তোর সম্পত্তি তারাপুর চা বাগান দখলের অভিযোগে দুটি মামলায় গত ১০ আগস্ট রাগীব আলী ও তার একমাত্র ছেলে আবদুল হাইসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
পরোয়ানা জারির দিনই গোপনে সপরিবারে ভারত পালিয়ে যান তারা। সিলেটের জকিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে সপরিবারে ভারত পালান রাগীব আলী। এরপর নিজের মালিকানাধীন সংবাদপত্র সিলেটের ডাক’র প্রকাশক ও সম্পাদক পদে থাকাকে অবৈধ দাবি করে দায়েরকৃত একটি মামলায়ও পিতা-পুত্রের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করে আদালত।
১০ আগস্ট পালিয়ে ভারত চলে যাওয়ার পর ১২ নভেম্বর আচমকা দেশে ফিরে আসেন রাগীবপুত্র আব্দুল হাই। জকিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশের সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ গ্রেপ্তার করে তাকে। তবে রাগীব আলী পলাতক ছিলেন।










