রপ্তানি-পর্যটনের সুখবর নিয়ে বাংলাবান্ধা-ফুলবাড়ি ইমিগ্রেশন চালুভারত ও বাংলাদেশের বাংলাবান্ধা ও ফুলবাড়ি স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন চালু হয়েছে। এখন সড়কপথে ভারতের দার্জিলিংয়ের দুরত্ব ৪৫ কিলোমিটার, আর নেপালের ৫১ কিলোমিটার।
ইমিগ্রেশন চালু উপলক্ষ্যে বাংলাবান্ধায় ছিলো সাজ-সাজ রব। সড়ক পথ দিয়ে পন্য আমদানী রপ্তানি সুযোগ ছিলো অনেক আগে থেকেই। তবে ছিলোনা মানুষের যাতায়াতের সুযোগ। সেই সুযোগ করে দিতেই পঞ্চগড়ের বাংলাবান্দা সীমান্তে ইমিগ্রেশনের ব্যবস্থা। এ উপলক্ষে বিশেষ সফরে এ বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে আসেন ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিজয় কুমার সিং।
বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন,‘এই ইমিগ্রেশন চালুর মাধ্যমে দুই দেশের মানুষের সম্পর্ক আরো জোরদার হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যতো বটেই, আমাদের পর্যটনখাতেও যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে’।
ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিজয় কুমার সিং বলেন, ‘যাতে দু’দেশের মধ্যে আসা-যাওয়া আরো সহজ হয় আমরা সে চেষ্টা করছি। আপনাদের সহযোগিতায় ইমিগ্রেশনের যেকোনো জটিলতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব’।
বাংলাবান্ধা সীমান্তে ইমিগ্রেশন উদ্বোধনের পর ভারতের জলপাইগুড়ির ফুলবাড়ী বন্দরে উদ্বোধন করা হয় ইমিগ্রেশন ।
বাংলাদেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের ভারত প্রবেশের মধ্যদিয়ে এ বন্দরে চালু হলো ইমিগ্রেশন। আঞ্চলিক যোগাযোগের প্রধান রুট হিসেবে কাজ করবে এ দুটি বন্দর। তাই এ ইমিগ্রেশন আঞ্চলিক যোগাযোগকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেও মনে করছেন দুই দেশের নীতি নির্ধারকরা।







